January 14, 2015

কত বেতন পান তামিম আর সাকিব??

২০১৪ সালটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য একটি ব্যর্থতার বছর ছিলো। বছরের শেষ জিম্বাবুয়ে সিরিজ ছাড়া সারা বছর ঘরের মাঠে ও দেশের বাইরে সবধরনের ক্রিকেটেই ব্যর্থ হয়েছে টিম বাংলাদেশ। ব্যর্থতার কারণে নতুন বছর বেতন বাড়ছে না সাকিব তামিমদের। তবে নতুন বছরে বেতন না বাড়লেও বিসিবির চুক্তিতে ক্রিকেটারের সংখ্যা বাড়ছে।

২০১৪ সালে সংখ্যাটা ছিল ১২, এবার তা বাড়িয়ে করা হচ্ছে ১৪ জনে। চুক্তি থেকে বাদ পড়তে যাচ্ছেন জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটার আবদুর রাজ্জাক, রবিউল ইসলাম ও সোহাগ গাজী। নতুন ঢুকছেন অভিজ্ঞ ইমরুল কায়েস ও শফিউল ইসলাম। তরুণদের মধ্যে থেকে স্পিনার তাইজুল ইসলাম, পেসার আল আমিন ও স্পিনার আরাফাত সানি।

যাদের মধ্যে তাইজুল,আল আমিন ও আরাফাত সানী বেতন পাবেন ‘ডি’ক্যাটাগরিতে। ইমরুল ও শফিউল পাবেন ‘বি’ক্যাটাগরিতে। এছাড়া ‘বি’শ্রেণীতে আগে থেকেই আছেন রুবেল হোসেন ও নাসির হোসেন। ‘ডি’ক্যাটাগরিতে থেকে রবিউল ইসলাম। তবে মুমিনুল হক আর এনামুল হক বিজয়ের উত্তরণ ঘটবে ‘সি’শ্রেণীতে। রাজ্জাক বাদ পড়ায় ‘এ’শ্রেণীতে থাকবেন শুধু মাহমুদউল্লাহ।

 

বিসিবির প্রথম ‘এ+’ক্যাটাগরিতে থাকবেন আগের চার ক্রিকেটারই। তারা হলেন ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা, ওয়ানডে সহ-অধিনায়ক সাকিব আল হাসান, টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ও টেস্ট সহ-অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

গত বছরই ক্রিকেটারদের বেতন বাড়িয়েছিল বিসিবি। ‘এ+’ক্যাটাগরির ক্রিকেটাররা মাসিক বেতন পাচ্ছেন ২ লাখ টাকা। বাকি চার ক্যাটাগরির মধ্যে ‘এ’-ক্যাটাগরিতে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ‘বি’ক্যাটাগরিতে ১ লাখ ২০ হাজার, ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ৯০ হাজার ও ‘ডি’ক্যাটাগরিতে ৬০ হাজার টাকা। এছাড়া দলের দায়িত্ব ভাতা হিসেবে অধিনায়ক পান বাড়তি ২০ হাজার টাকা এবং সহ-অধিনায়ক পান ১০ হাজার টাকা করে।

নতুন বছরেও ক্রিকেটারদের চুক্তির শ্রেণী বিন্যাস একই থাকছে। তবে এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার বোর্ডের সভায় আলোচনা হবে। সভার আগেই বিস্তারিত জানাতে রাজি হননি বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন। তিনি বলেন, ‘বোর্ডের সভায় বেশ কিছু এজেন্ডা রয়েছে। আর ক্রিকেটারদের বেতন বাড়বে কি বাড়বে না, সে বিষয়েও বোর্ড সভায় আলোচনা হবে।’

তথ্য সুত্রঃ বাংলামেইল ২৪ ডটকম
,

নোকিয়ার নতুন ফোনে চার্জ থাকবে এক মাস

গ্রাহকদের হাতে সস্তায় মোবাইল ফোন তুলে দিয়েই মূলত বেশ ক’বছর একচ্ছত্রভাবে বাজার দখলে রেখেছিল নোকিয়া। সেই কৌশলটিই কাজে লাগাচ্ছে মাইক্রোসফট। সম্প্রতি নোকিয়া কিনে নেয়ার পর তারা সস্তায় এমন এক ফোন বাজারে এনেছে যা দিয়ে খুব সহজেই এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা বাজার দখল করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নোকিয়া-২১৫ মডেলের এই ফোনের দাম হবে মাত্র ২৯ ডলার বা বাংলাদেশি প্রায় ২৩শ টাকা।



তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এ ফোনে একবার চার্জ দিলে টানা এক মাস চলবে। অর্থাৎ এর স্ট্যান্ডবাই টাইম ২৯ দিনেরও বেশি।

এতে বিল্টইন রয়েছে- ওপেরা মিনি ব্রাউজার, ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার, টুইটার এবং আরো কিছু অ্যাপস।

সস্তা হলেও ফোনটিতে আছে ৩২০x২৪০ পিক্সেলের ডিসপ্লে, ০.৩ মেগাপিক্সেলের ভিজিএ ক্যামেরা, রেডিও, টর্চ। আর মাইক্রো এসডি কার্ড স্লট তো থাকছেই।

শুধু তা-ই নয়, এটি ২জি এজ মডেম হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।

-copied from: বাংলামেইল ২৪ ডট কম
,

২০১৫ সাল হবে এক সেকেন্ড বেশি!!

বয়স যতো বাড়ছে পৃথিবীর আহ্নিক গতিও ততো কমছে। ফলে ক্রমেই দিন, মাস, বছরের সময় বেড়ে যাচ্ছে। আর এই বর্ধিত সময়কে পারমাণবিক ঘড়ির সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে নিয়মিতভাবে এক সেকেন্ড করে যোগ করতে হয়। সেই সুবাদে আগামী ৩০ জুন রাত ১১টা ৫৯ মিনিট ৬০ সেকেন্ডের মাথায় যোগ করা হবে বাড়তি এক সেকেন্ড। অর্থাৎ এসময় ঘড়ির কাঁটা এক সেকেন্ড থেমে যাবে।
বিজ্ঞানীরা অতিরিক্ত এই সময়ের নাম দিয়েছেন লিপ সেকেন্ড।
বিজ্ঞানীরা জানান, পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি কমছে। এর ফলে প্রতিদিন প্রতি দুই হাজার সেকেন্ডের এক ভাগ করে সময়ের গড়মিল হচ্ছে। সময়ের এই ঘাটতি পূরণ করে পারমাণবিক সময়ের হিসাব ঠিক রাখতে হলে নিয়মিতভাবে বাড়তি একটি সেকেন্ড যোগ করা হয়। এটি না করলে ২১০০ সাল নাগাদ সময়ের ঘাটতি হবে প্রায় তিন মিনিটের। আর ২৭০০ সাল নাগাদ এ ঘাটতি দাঁড়াবে আধা ঘণ্টায়।
এই পরিস্থিতি এড়াতে ১৯৭২ সাল থেকে ‘লিপ সেকেন্ড’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। গত ৪২ বছরে ২৫ বার যোগ করা হয়েছে লিপ সেকেন্ড। ৩০ জুন বা ৩১ ডিসেম্বর যোগ করা হয় বাড়তি একটি সেকেন্ড। সেই ধারায় ২০১৫ সালের ৩০ জুন যোগ হতে যাচ্ছে একটি বাড়তি সেকেন্ড। প্যারিস অবজারভেটরি ও ইন্টারন্যাশনাল আর্থ রোটেশন সার্ভিস যৌথভাবে বাড়তি সেকেন্ড যোগ করার এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।
ইউএস ন্যাভাল অবজারভেটরির বিজ্ঞানী নিক স্টামাটাকোস জানান, এই বাড়তি সেকেন্ড পারমাণবিক ঘড়ির সঙ্গে যোগ হওয়ার ফলে জুন মাসের ৩০ তারিখে ৮৬ হাজার ৪০০ সেকেন্ডের বদলে হবে ৮৬ হাজার ৪০১ সেকেন্ড।
ফলে এবার বাড়তি এক সেকেন্ড যোগ করা হলে পৃথিবীর ঘূর্ণন পারমাণবিক ঘড়ির তুলনায় ২৬ সেকেন্ড ধীর হবে। তবে কোনো কোনো বছর পৃথিবীর ঘূর্ণন ঠিক থাকে ফলে এই সমন্বয়টার দরকার হয় না।
পারমাণবিক ঘড়ির সময়ে এক সেকেন্ড যোগ করার ফলে সর্বজনীন সময় হিসাবে (ইউটিএস) গরমিল হবে। ফলে বিভিন্ন সফটওয়্যারের সার্ভার টাইমের সঙ্গে এর বৈপরিত্য দেখা দেয়। এ কারণে ওয়েবসাইটগুলো ক্রাশ করার আশঙ্কা তৈরি হয়। ২০১২ সালে লিপ সেকেন্ড যুক্ত হওয়ার সময় মোজিলা, রেডিট, লিঙ্কডইন, ফোরস্কয়ার, ইয়েলপ এবং লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম চালিত প্রোগ্রাম যেগুলো জাভা স্ক্রিপ্টে লেখা সেগুলো ক্রাশ করেছিল।
এ অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল নিয়ে এসেছে লিপ স্মিয়ার পদ্ধতি যা ধীরে ধীরে সিস্টেমের ঘড়ির সঙ্গে মিলিসেকেন্ড যোগ করবে লিপ সেকেন্ডে আসার অনেক আগে থেকেই। ফলে বোঝা যাবে না সময়ের হেরফের।


-copied form: বাংলামেইল ২৪ ডট কম

যে ১০ কারণে কিডনির ক্ষতি হয়

প্রতিবছর দুনিয়াজুড়ে লাখ লাখ মানুষ মারা যান কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে। শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনি। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না কীভাবে এর সঠিক যত্ন নিতে হয়, কীভাবে কিডনির ক্ষতি এড়িয়ে দৈনন্দিন জীবনযাপন করতে হয়। প্রতিদিনের জীবনে আমরা এমন অনেক কিছুই করি যা কিডনির জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে। অর্গানিক হেলথ ডটকম এক প্রতিবেদনে এমন ১০ কারণের কথা জানিয়েছে।


পর্যাপ্ত পানি পান না করাপ্রতিদিন যেসব কারণে কিডনির ক্ষতি হয় তার মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ কারণটি হলো পর্যাপ্ত পানি পান না করা। কিডনির অন্যতম প্রধান কাজ শরীর থেকে পরিপাক প্রক্রিয়ার বর্জ্য অপসারণ করা এবং লোহিত রক্তকণিকার ভারসাম্য রক্ষা করা। কিন্তু পর্যাপ্ত পানি পান না করলে বৃক্বের রক্তপ্রবাহ কমে যায়। এর ফলে রক্তে দূষিত রাসায়নিক জমা হতে থাকে। 


দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব না করে থাকাদীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব না করে থাকা প্রাত্যহিক সমস্যাগুলোর একটা। বিশেষত পর্যাপ্ত পাবলিক টয়লেটের অভাবে শহরাঞ্চলের নারীরা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন। দীর্ঘক্ষণ মূত্রাশয় পূর্ণ করে রাখা শরীরে নানাবিধ জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। পেশির ওপর চাপ থেকে ডাইভারটিকিউলোসিসের মতো জটিল রোগ হতে পারে। এ ছাড়া দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব না করা থেকে হাইড্রোনেফ্রোসিস বা কিডনিতে প্রস্রাবের চাপ বেড়ে যাওয়ার সমস্যা তৈরি হয়। এসব থেকেই কিডনি কর্মক্ষমতা হারায় এবং ডায়ালাইসিস প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে।


বেশি লবণ খাওয়াবিভিন্ন খাবার-দাবারে মিশে থাকা লবণকে পরিপাক করা কিডনির আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। রান্না করা বা প্যাকেটজাত খাবারে ব্যবহার করা লবণ আমাদের শরীরে সোডিয়ামের বড় উৎস। কিন্তু পরিপাকের মধ্য দিয়ে এই সোডিয়ামের বেশির ভাগটাই বর্জ্য হিসেবে শরীর থেকে বের করে দিতে হয়। আমরা যখন বেশি বেশি লবণ খাই, তখন এই সোডিয়াম প্রক্রিয়াজাত করা নিয়ে কিডনিকে অনেক বেশি ব্যস্ত থাকতে হয়। এতে কিডনির ওপর প্রবল চাপ পড়ে।


ক্যাফেইনে বেশি আসক্তিতৃষ্ণা পেলে আমরা অনেক সময় পানি পান না করে নানা ধরনের কোমল পানীয় পান করি। কিন্তু এসব পানীয়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যাফেইন মেশানো থাকে। অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরে রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। অতিরিক্ত রক্তচাপ কিডনির ওপরও চাপ প্রয়োগ করে এবং এতে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।ব্যথানাশকের প্রতি নির্ভরশীলতামাথাব্যথা, গলাব্যথা যা-ই হোক না কেন কথায় কথায় ব্যথার ওষুধ খাওয়ার বাজে অভ্যাস আমাদের অনেকেরই আছে। কিন্তু প্রায় সব ব্যথানাশক ওষুধেরই কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে। কিডনিসহ নানা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের জন্য এসব ওষুধ ক্ষতিকর। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধের ওপর নির্ভরতা রক্তচাপ কমিয়ে দেয় এবং কিডনির কর্মক্ষমতা হ্রাস করে।


বেশি বেশি প্রোটিন খাওয়াকিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়লে লাল মাংস বা গরু-ছাগলের মাংস বেশি খাওয়া ঠিক না। বেশি প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার কিডনির ওপর চাপ তৈরি করতে পারে। তবে, কিডনির সমস্যা না থাকলে বা চিকিৎসকের নিষেধ না থাকলে এমন প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া যেতে পারে।


অ্যালকোহলে আসক্তিমদ্যপানের অভ্যাস আছে এমন অনেকেরই অনেক সময় মাত্রাজ্ঞান থাকে না। আর খুব বেশি পরিমাণে মদ পান করা কিডনির জন্য খুবই ক্ষতিকর। অ্যালকোহলে নানা ধরনের টক্সিন থাকে, যেগুলো শরীর থেকে দূর করতে কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে যায়। ফলে কিডনি বাঁচাতে হলে অবশ্যই অ্যালকোহলে আসক্তি কমাতে হবে।


ধূমপানে আসক্তিযুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের অভিমত অনুসারে ধূমপান কিডনিসহ শরীরে সব অঙ্গের জন্যই ক্ষতিকর। এ ছাড়া বিভিন্ন গবেষণাতেই ধূমপানের সঙ্গে কিডনি রোগের সম্পর্ক আছে। সুস্থ কিডনি চাইলে ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করুন।


সর্দি-কাশিকে পাত্তা না দেওয়াসাধারণ সর্দি-কাশিকে পাত্তা না দেওয়া আমাদের অনেকেরই অভ্যাস। কিন্তু এই সর্দি-কাশিই কিডনির জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। এ ছাড়া নানা গবেষণায় দেখা গেছে কিডনির সমস্যায় ভুগছেন এমন অনেকেরই অসুস্থতার সময়ে ঠিকমতো বিশ্রাম না নেওয়ার ইতিহাস আছে।


রাত জেগে থাকারাত জেগে থাকা, ঘুমাতে না পারা আমাদের অনেকেরই নিয়মিত সমস্যা। কিন্তু ঘুম শরীরের জন্য নানা কারণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের সময়ই শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর টিস্যুর নবায়ন ঘটে। ফলে ঘুমাতে না পারার সমস্যাটা নিয়মিত চলতে থাকলে কিডনিসহ শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর এই কাজ বাধাগ্রস্ত হয়। এতে কিডনির স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা কমে যায়।


-Copied form- Prothom alo 

 
Tricks and Tips