February 28, 2015

কিডনি সুস্থ্য রাখতে করণীয়

শরীরের একটি প্রধান অঙ্গ বৃক্ক বা কিডনি। এটি মূলত রেচন ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করলেও প্রধানত দেহের ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে এবং রক্ত থেকে দূষিত বর্জ্য পদার্থগুলো ছেঁকে বের করে দেয়। কিডনি বিভিন্ন কারণে রোগাক্রান্ত হয়। যা শরীরের জন্য মারাত্মক হুমকি। তবে নিয়মিত কিছু অভ্যাস গড়ে তুললে কিডনি সুস্থ রাখা সম্ভব। চলুন জেনে নিই কিডনি রোগের কারণ ও এটি সুস্থ রাখতে করণীয়গুলো…

কিডনি রোগের প্রধান কারণ:

উচ্চ রক্তচাপডায়াবেটিস, বিশেষত টাইপ-২বংশগত অর্থাৎ পূর্বপুরুষ কারও কিডনি রোগ থাকলেকিডনির জন্য ক্ষতিকর এমন খাদ্য খাদ্যাভ্যাসে অন্তর্ভূক্ত থাকলে

 

কিডনি ভালো রাখতে করণীয়ঃ

দৈনিক পরিমিত বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে (৮-১০ গ্লাস)। তবে প্রয়োজনের অধিক পানি পান করবেন না। তাহলে কিডনির উপর চাপ পড়বে। ফলশ্রুতিতে কিডনির বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিবে।ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ঔষধ একদমই সেবন করবেন না। এছাড়া অন্যান্য সমস্যায়ও আন্দাজে ঔষধ সেবন না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কেননা ঔষধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া থাকে। যা বিশেষ করে কিডনির জন্য ক্ষতিকর।নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে।ওজন স্বাভাবিক রাখা খুবই জরুরি। BMI স্কেলে ওজন ১৮-২৫ এর মধ্যে রাখা উত্তম। তবে ২৯ এর বেশী হলে ডাক্তারের পরামর্শ আবশ্যক।নিয়মিত রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার মাপতে হবে।নিয়মিত রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও কোলেস্টেরলের মাত্রা চেক করতে হবে।পরিবারে অতীতে কারও কিডনি রোগ ছিল কি না জানা উচিত। থাকলে সতর্কতা বজায় রাখতে হবে। অবশ্যই ডাক্তারকে ব্যাপারটি জানাতে হবে।পুষ্টিকর ও সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে।লবণ, সোডিয়াম ও আমিষ জাতীয় খাবার বিশেষ করে ফাস্ট ফুড ও কোল্ড ড্রিঙ্কস খাওয়া বন্ধ করা আবশ্যক। রেড মিট, চিনি, ডিমের কুসুম ইত্যাদি কম কম খেতে হবে।ধূমপান, মদ ও নেশা জাতীয় দ্রব্য বর্জন করতে হবে।কোন ধরণের সংক্রমণ বা ইনফেকশন হলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।প্রস্রাবের বেগ হলে আটকে না রাখা উত্তম। নিয়মিত প্রস্রাব আটকে রাখলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্থ হবে। কিডনি ও এর রোগ সম্পর্কে জানতে হবে।

সূত্রঃ উর্বশী

February 26, 2015

অ্যাসিডিটি দূর করার ১০টি উপায়

আজকাল ভেজাল খাদ্যের কারণে ছোট-বড় প্রায় সবারই অ্যাসিডিটি সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু কিছু নিয়ম জানা থাকলে আমরা এই অ্যাসিডিটি থেকে সহজেই দূরে থাকতে পারি। কিভাবে এই অ্যাসিডিটি দূর করা যায় সে বিষয়েই আজকের প্রতিবেদন।

বর্তমান সময়ে প্রায় সব মানুষের অর্থাৎ ছোট-বড় সকলের মধ্যেই অ্যাসিডিটির সমস্যা বেশ প্রকট আকার ধারণ করেছে। আসলে অ্যাসিডিটি কিন্তু কোনও রোগ নয়। মূলত খাবারের অনিয়মের কারণেই মানবদেহে অ্যাসিডিটি সৃষ্টি হয়। অ্যাসিডিটি হওয়ার কারণে খাবার হজমে সমস্যা হয়, তখন পেটে অতিরিক্ত গ্যাস জমা হয়। যে কারণে পেটে এবং বুকে জ্বালাপোড়া এমনকি ব্যথা করে। আবার অনেক সময় বমি বমি ভাবও দেখা দেয়।

অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পেতে আমরা সবাই কম-বেশি ওষুধ খেয়ে থাকি। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে চললে এই অ্যাসিডিটি দূরে করা সম্ভব। আসুন জেনে নেওয়া যাক অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পাওয়ার ১০টি পথ:

১. নিয়মিতভাবে একটি নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে

২. প্রতিদিনি অন্ততপক্ষে ১২ গ্লাস পানি পান করুন।

৩. পানি বা পানীয় জাতীয় কোন কিছু পান করার সময় খুব ধীরে আস্তে আস্তে পান করুণ

৪. ‘স্ট্র’ এর মাধ্যমে পানীয় জাতীয় কোন কিছু পান করবেন না।

৫. খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর পানি পান করুণ।

৬. খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে।

৭. তিতা জাতীয় খাবার যেমন করলা ভাজি ইত্যাদি বেশি করে খান।

৮. অতিরিক্ত তেল, ঝাল এবং মসলাজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুণ কারণ এগুলো অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে দেয়।

৯. প্রত্যাহ এক গ্লাস গরম পানির মধ্যে সামান্য গোল মরিচ গুঁড়ো এবং লেবুর রস মিশিয়ে পান করুণ। কারণে এতে অ্যাসিডিটি দূর হবে।

১০. অ্যালকোহল বা চুইংগাম জাতীয় খাবার পরিহার করুণ। কারণ এগুলোতে অ্যাসিডিটি বাড়ে।

তথ্য সুত্রঃ দি ঢাকা টাইমস 
, , ,

সন্ত্রাসী হামলায় আহত অভিজিতের মৃত্যু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় আহত দম্পতির মধ্যে স্বামী অভিজিত রয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। স্ত্রী রাফিদা আহম্মেদ (৩৪) এর অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

আজ বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ২০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের আবাসিক সার্জন রিয়াজ মোর্শেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে রাত ৯টার দিকে টিএসসি এলাকায় সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন অভিজিত ও তার স্ত্রী রাফিদা আহম্মেদ (৩৪)।

অভিজিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ড. অজয় রায়ের ছেলে।

তথ্য সূত্রঃ বিডি-প্রতিদিন

February 25, 2015

,

বৃহস্পতিবারের এসএসসি পরীক্ষাও পেছাল

লাগাতার অবরোধের মধ্যেও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দল হরতাল বাড়ানোয় এসএসসি ও সমমানের বৃহস্পতিবারের পরীক্ষাও পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। পরিবর্তিত সময় অনুযায়ী বৃহস্পতিবারের পরীক্ষা হবে আগামী ৭ মার্চ শনিবার।

 

বুধবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষাসচিব নজরুল ইসলাম খান এ তথ্য জানান।

 

এ নিয়ে হরতালের কারণে এখন পর্যন্ত ১০ দিনের পরীক্ষা পেছানো হলো। এসএসসিতে বৃহস্পতিবার সাধারণ বিজ্ঞান ও উচ্চতর গণিত (তত্ত্বীয়) এবং মাদ্রাসা বোর্ডে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা ছিল।

 

আর এসএসসি ভোকেশনালে নতুন সিলেবাসের ট্রেড-২ দ্বিতীয় পত্রের ৩১টি বিষয় এবং পুরাতন সিলেবাসে ট্রেড-২ দ্বিতীয় পত্রের ৩১টি বিষয় এবং ভোকেশনালে দাখিলে ট্রেড-১ দ্বিতীয় পত্রের ৩১টি এবং ট্রেড-১ দ্বিতীয় পত্রের ৩১ বিষয়ের পরীক্ষা ছিল।

 

গত ২ ফেব্রুয়ারি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হরতালের কারণে এখন পর্যন্ত নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী একটি পরীক্ষাও হয়নি। এ পর্যন্ত যে পাঁচ দিনের পরীক্ষা হয়েছে, তা সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবারে হয়েছে।

 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু বক্কর ছিদ্দিকসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

তথ্য সূত্রঃ দৈনিক সমকাল

February 24, 2015

,

জেনে নিন , ওয়াইফাই সংযোগের গতি বাড়ানোর ৫টি উপায়

আপনার ইন্টারনেটের পেছনে আপনি যত টাকা খরচ করেন সে পরিমাণ কি ইন্টারনেটের গতি পাচ্ছেন? একটি দুর্বল ওয়্যারলেস সংযোগের সাহায্যে একটি পেজ লোড হতেই অনেক সময় নেয় সেই সাথে কোন কিছু ডাউনলোড করতে চাইলে অপেক্ষা করতে হয় অনেক্ষণ। সুতরাং এই ধরণের দুর্বল ওয়্যারলেস সংযোগের পেছনে অযথা টাকা নষ্ট করার আসলে কোন অর্থই হয়না তবে কিছু সহজ ও ছোট্ট উপায় অবলম্বন করে বাড়াতে পারেন আপনার ওয়াইফাই সংযোগের গতি।
ff
ওয়াইফাই সংযোগের ক্ষেত্রে সাধারণত ইন্টারনেট গতি দেয়াল, আসবাবপত্র, অন্যান্য ইলেকট্রনিকস্, এবং এমনকি মানুষ দ্বারাও ব্যাহত হতে পারে। সৌভাগ্যবসত, ইন্টারনেট গতি বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন সহজ কৌশল আছে।

চলুন জেনে নিই ওয়াইফাই সংযোগের গতি বাড়ানোর ৫টি উপায়:

১)রাউটারের লোকেশন পরিবর্তন

ওয়াইফাই সংযোগের গতি বাড়ানোর সহজ উপায় হল রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন বা অবস্থানের মাঝে সমন্বয় করা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, রাউটার বাড়ির ভেতরে আসা ইন্টারনেট তারের কাছাকাছি রাখা হয়। বেশিরভাগ রাউটারের অ্যান্টেনা সর্বতোমুখী হয় ফলে সবদিকে সংকেত পাঠানো ও রিসিভ করা সম্ভব হয়। তাই রাউটারের অবস্থান এমন স্থানে হওয়া উচিৎ যেখান থেকে রাউটার সবদিকে সংকেত পাঠাতে পারে।

২) ওয়্যারলেস রাউটারের সম্মুখে একটি উন্নত এন্টেনা যোগ করুন(বহির্গামী)

কখনও কখনও রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন করে ইন্টারনেটের গতি উন্নত করা সম্ভব হয়না। এইক্ষেত্রে কর্মক্ষমতা উন্নত করার জন্য অ্যান্টেনা পরিবর্তন পরবর্তী পদক্ষেপ হতে পারে। যদি একটি রাউটারের চারপাশে অনেক দেয়াল এবং অনেক বাধা থাকে তবে সেইক্ষেত্রে একটি এক্সটারনাল এন্টেনা রাউটারের সামনে সঠিকভাবে পজিশনিং করে রাউটারের গতি বাড়াতে পারবেন।

৩) ওয়্যারলেস ডিভাইসে একটি উন্নতমানের এন্টেনা যোগ (অভিমুখি)

কিছু কিছু ওয়্যারলেস ডিভাইসে উন্নতমানের এন্টেনা প্রতিস্থাপন করে উন্নত গতি অর্জন করতে পারেন। অবশ্যই এটা স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের জন্য একটু কঠিন, কিন্তু ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটারের ক্ষেত্রে সহজেই এক্সটারনাল এন্টেনা যুক্ত করে ওয়াইফাই সংবেদনশীলতা এবং পরিসীমা বৃদ্ধি করা সম্ভব।


৪)একটি ওয়্যারলেস রিপিটার যোগ করুন

একটি নেটওয়ার্কের পরিসীমা প্রসারিত করতে একটি ওয়্যারলেস রিপিটার যোগ করতে পারেন যা রাউটার এবং সংযুক্ত ডিভাইসের মধ্যে একটি সেতু হিসাবে কাজ করে। ১০০ ডলারের মধ্যেই অনেক ভালো ভালো রিপিটার বাজারে পাওয়া যায়।

৫) বেকগ্রাউন্ডের কাজ বন্ধ করুন

একটি নেটওয়ার্কের গতি বেকগ্রাউন্ডে চলাকালীন একাধিক কাজের জন্য স্লো হতে পারে। ব্যবহারকারীর কম্পিউটার, ট্যাবলেট, বা ফোনের বেকগ্রাউন্ডে যদি একধিক প্রোগ্রাম একাধারে চলতে থাকে তবে ইন্টারনেটের গতি হ্রাস পায়। তাই ইন্টারনেটের গতি সর্বাধিক করতে এসব নোটিফিকেশন ও অব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন বন্ধ করুন।

তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর 

বহু প্রতীক্ষিত হোয়াটসঅ্যাপে এবার শুধু ম্যাসেজ নয় কথাও বলতে পারবেন আপনি!

হোয়াটসঅ্যাপ’ আর শুধুমাত্র মোবাইল ম্যাসেজিং সার্ভিস থাকছে না। বহু প্রতিক্ষীত ইন্টারনেট কলিং সার্ভিস নিয়ে আসতে যাচ্ছে ম্যাসেজিংয়ের এই শীর্ষস্থানীয় অ্যাপটি।
সম্প্রতি এর কলিং ফিচারটি নিয়ে পরীক্ষা চালানো হয়েছে।  গুটিকয়েক ‘হোয়াটসঅ্যাপ’ ব্যবহারকারীর প্রোফাইলে কলিং অপশনটি দেওয়া হয়। গতকাল শুক্রবার ভয়েস কলিং ফিচারটি চালু করা হয়। এর পরপরই তাদের হোয়াটসঅ্যাপে কল আসে। তারা কলটি রিসিভ করে কথাও বলেছেন। ব্যবহারকারীদের মাধ্যমে ফিচারটি পরীক্ষা করার অর্থ হলো, এরপর তারাই অন্যান্য ব্যবহারকারীর কাছে এর খবর পৌঁছে দেবেন। অ্যান্ড্রয়েড এবং ব্ল্যাকবেরি ১০ ব্যবহারকারীরা হোয়াটসঅ্যাপের নতুন সংস্করণের মাধ্যমে কলিংয়ের সুবিধা নিতে পারবেন। তবে আপাতত নির্দিষ্ট সংখ্যক ব্যবহারকারীকে কলিং ফিচারটি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে।
এখনো আইফোন-এ চালু হচ্ছে না কল করার সুযোগ। তবে আইওএস এর জন্যে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন সংস্করণে কলিং বাটন রাখা হয়েছে। উইন্ডোজ ফোনেও এখোনি দেওয়া হবে না কলিং ফিচার। তবে কলিং বাটনটি দেওয়া হচ্ছে।
যাদের প্রোফাইলে কলিং ফিচারটি চালু হবে, তারা পর্দায়  ‘ডায়ালিং আ ভয়েস কল টু হোয়াটসঅ্যাপ কন্টাক্টস’  লেখা পৃথক অংশ দেখতে পাবেন। কথা বলা অবস্থায় লাউডস্পিকার চালুর বাটনটিও দেওয়া হয়েছে।
, ,

ইঁদুরের মধ্যে মানুষের ডিএনএ!

ইঁদুরের ভ্রূণের মধ্যে মানুষের ডিএনএ সিকোয়েন্স ঢুকিয়ে তা নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই পরীক্ষার ফলে ইঁদুরের মস্তিষ্কের আকার আরও বড় হয়েছে বলে দাবি করেছেন গবেষকেরা। আলঝেইমারের মতো রোগের চিকিৎসায় এই গবেষণা কাজে লাগবে বলে তাঁরা উল্লেখ করেছেন। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
rtyrt
যুক্তরাষ্ট্রের ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, মানুষের জেনেটিক কোডের সঙ্গে মানুষের প্রজাতির সঙ্গে মিল রয়েছে এমন প্রাণীর অনেক মিল রয়েছে। এ রকম একটি প্রাণী হচ্ছে শিম্পাঞ্জি। শিম্পাঞ্জির সঙ্গে মানুষের ৯৫ শতাংশ মিল রয়েছে। শিম্পাঞ্জির সঙ্গে যে পার্থক্য রয়েছে তার মধ্যে একটি হচ্ছে মস্তিষ্কের আকার। মানুষের মস্তিষ্কের আকার শিম্পাঞ্জির চেয়ে বড়। শিম্পাঞ্জির মস্তিষ্কের ওজন ৩৮৪ গ্রাম আর মানুষের প্রায় এক কেজি ৩৫২ গ্রাম।


শুধু মস্তিষ্কের ওজন নয় বুদ্ধিমত্তার দিক থেকেও শিম্পাঞ্জির চেয়ে মানুষ এগিয়ে। গবেষকেরা দাবি করেছেন, শিম্পাঞ্জির মতো প্রাণীর সঙ্গে মানুষের বিবর্তনগত পার্থক্যের জন্য যে ডিএনএ সিকোয়েন্স ভূমিকা রাখে সেটা তারা বের করতে পেরেছেন।কিন্তু কীভাবে তাঁরা এটা করেছেন? গবেষকেরা বলছেন, ইঁদুরের ভ্রূণ নিয়ে গবেষণা করে এই পার্থক্য ধরতে পেরেছেন তাঁরা। এই ডিএনএ সিকোয়েন্সকে বলা হয় হেয়ার ৫ (এইচএআরই৫)। এই জিন সিকোয়েন্স যখন ইঁদুরের ভ্রূণে ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করানো হয়, তখন ইঁদুরের মস্তিষ্কের আকার বড় হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ পর্যন্ত মস্তিষ্কের বৃদ্ধির বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে।

কারেন্ট বায়োলজি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণা-সংক্রান্ত নিবন্ধ।ডিউক ইউনিভার্সিটির মেডিকেল স্কুলের মলিকুলার জেনেটিকস অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডেবরা সিলভার এ বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি বলেন, ‘হেয়ার ৫ ছাড়াও আমাদের খোঁজ পাওয়া আরও কয়েকটি সিয়োকেন্স মানুষের মস্তিষ্কের অনন্যতার বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করতে পারে। হেয়ার ৫ মূলত ‘এনহ্যান্সার’ নামে পরিচিত, যা ‘হিউম্যান-অ্যাকসেলেরেটেড রেগুলেটরি এনহ্যান্সারস’ গ্রুপের মধ্যে পড়ে। এর মধ্যে হেয়ার ১ থেকে হেয়ার ৬ পর্যন্ত সিকোয়েন্স রয়েছে। এনহ্যান্সারস হচ্ছে ডিএনএর ছোট অংশ, যা প্রতিটি জিনোমের মধ্যে থাকে এবং জিনের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।

গবেষক ডেবরা জানিয়েছেন, মস্তিষ্কের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখা ডিএনএর অবস্থান শনাক্ত করতে আমাদের গবেষণা দল মানুষ থেকে শুরু করে বানর পর্যন্ত বিভিন্ন প্রাণীর জেনোমিক তথ্যের ডেটাবেজ বিশ্লেষণ করে। ১০৬টির মতো গ্রুপ নিয়ে গবেষণা করে শেষ পর্যন্ত হেয়ার গ্রুপটি মস্তিষ্ক বৃদ্ধির জন্য ভূমিকা রাখে সেই তথ্য জানা সম্ভব হয়। এর মধ্যে হেয়ার ৫ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

ডেবরা আরও জানান, মজার বিষয় হচ্ছে মানুষ ও শিম্পাঞ্জির হেয়ার ৫ জিনোম সিকোয়েন্সে যথেষ্ট মিল পাওয়া গেছে। কিন্তু এই জিনোম যখন ইঁদুরের ভ্রূণে ব্যবহার করা হয়েছে তখনই আসল পার্থক্য ধরা পড়েছে।গবেষকেরা মনে করছেন, তাদের এই গবেষণা নির্দিষ্ট মস্তিষ্কের অবস্থার সঠিক চিত্র বুঝতে সাহায্য করবে। অটিজম ও আলঝেইমারের মতো রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও তা কাজে লাগানো যাবে।

তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর 
, ,

জেনে নিন ঢালিউডে এক সিনেমায় কে কত পান?

হলিউড-বলিউড তারকাদের পারিশ্রমিক সম্পর্কে প্রায় সকলেই জানেন এ নিয়ে হরহামেশাই সংবাদ হয়। কিন্তু ঢালিউড তারকাদের সে খবর প্রায় সবার কাছেই অজানা। তাই জেনে নিন ঢালিউডের কোন তারকা ছবি প্রতি কত টাকা পারিশ্রমিক নেন।
xcbb

শাকিব খানঃ
ঢালিউডে সব থেকে বেশি পারিশ্রমিক নাম্বার ওয়ান নায়ক শাকিব খানের। ছবিপ্রতি এ নায়ক নেন ২০-২৫ লাখ টাকা। পাশাপশি রয়েছে তার যাতায়াত ও আলাদা আপ্যায়নের খরচও।


বাপ্পি চৌধুরীঃ
শাকিবের পরের অবস্থানেই রয়েছেন বর্তমান সময়ের তরুন নায়ক বাপ্পি চৌধুরী। ছবিপ্রতি এ নায়কের চাহিদা ১০ লাখ। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে এর থেকে কম টাকায়ও ছবি করেন বাপ্পি।


আরিফিন শুভঃ
ঢালিউডের বর্তমান সময়ের আরেক আলোচিত নায়ক আরিফিন শুভ পান ছবিপ্রতি ৩-৫ লাখ টাকা। তবে ছবি নিয়ে তার রয়েছে বেশ কিছু শর্ত।


অপু বিশ্বাসঃ
নায়িকাদের মধ্যে ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস পান সব থেকে বেশি পারিশ্রমিক। ছবিপ্রতি তার চাহিদা ৫ লাখ টাকা। এছাড়া তারও রয়েছে আলাদা যাতায়াত ও আপ্যায়ন খরচ।

মাহিয়া মাহীঃ
জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিয়া মাহীও ছবিপ্রতি ৩-৪ লাখ টাকা করে নেন। তবে মাহী শুধু জাজ মাল্টিমিডিয়ার সিনেমায় অভিনয় করার কারণে পারিশ্রমিক নিয়ে তার ধরা বাধা কোন চাহিদা নেই। তাছাড়া শোনা যায়, এ প্রতিষ্ঠানের মালিকের সঙ্গেও রয়েছে তার বিশেষ সম্পর্ক।


ববিঃ
বর্তমান সময়ের বিতর্কিত নায়িকা ববিও ছবিপ্রতি পান লাখ টাকার উপরে। তবে অনেক ক্ষেত্রে এ নিয়ে ছাড় দিয়ে চলেন ববি।

তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর 

February 23, 2015

,

প্রাক্তন প্রেমিকাকে ভুলতে পারেননি সালমান

বলিউডের লাইফটাইম ব্যাচেলর সালমান খান প্রাক্তন প্রেমিকাদের প্রসঙ্গে কথা বলতে বরাবরই মুখিয়ে থাকেন। তাই যখনই সুযোগ পান, তা হাতছাড়া করেন না।

fgdfg
সম্প্রতি এমনই এক ঘটনা ঘটেছে দুবাইয়ে, সেখানে সালমানের প্রাক্তন প্রেমিকা সঙ্গীতা বিজলানীর প্রসঙ্গ আসলে রসিকতা করতে ছাড়েননি তিনি।


সম্প্রতি দুবাই সফরকালে স্থানীয় এক সাংবাদিক সালমান খানের কাছে তার প্রিয় ক্রিকেটার কে জানতে চান? উত্তরে তিনি বলেন, মহম্মদ আজহারউদ্দিন।’ এটুকুর মধ্যে অবাক হওয়ার মতো কিছু না থাকলেও এরপরেই তার কথায় ফুটে ওঠে কৌতুক। কারণ ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আজহার শুধু আমার প্রিয় তারকাই নন, তিনি সঙ্গীতা বিজলানীর স্বামীও! না, না, প্রাক্তন স্বামী।’

উল্লেখ্য, সঙ্গীতা বিজলানী সালমান খানের প্রাক্তন প্রেমিকা। কিন্তু সে ব্যাপারে বিন্দুমাত্র অস্বস্তিতে না পড়ে ব্যাপারটিকে অনেক বেশি মজার করে তোলেন ‘দাবাং’ খান।

তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর 
, , , ,

পৃথিবীর কেন্দ্র নিয়ে নতুন তথ্য

বিজ্ঞানীদের দাবি তারা পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলের গঠন সম্পর্কে নতুন তথ্য উদ্ঘাটন করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের একদল জানিয়েছেন, পৃথিবীর সবচাইতে অভ্যন্তরে কেন্দ্রস্থলটি একটি সম্পূর্ণ আলাদা অংশ সৃষ্টি করেছে।

তাদের বিশ্বাস পৃথিবীর কেন্দ্রস্থল বা ইনার কোরে যে লোহার স্ফটিক রয়েছে তা আউটার কোরের লোহার স্ফটিক থেকে আলাদা।‘নেচার জিওসায়েন্স’ পত্রিকার একটি রিপোর্টে এসব তথ্য দেয়া হয়েছে।
dsfff
তবে মানুষ এখন পর্যন্ত পৃথিবীর কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেনি। তাই ভূমিকম্প পরিমাপের পদ্ধতি ব্যবহার করে এটা পরীক্ষা করা হয়। এই প্রতিধ্বনি পৃথিবীর ভূগর্ভের বিভিন্ন স্তরে কিরূপ আচরণ করেছে সেটা লক্ষ্য করা হয়েছে।

ইউনিভার্সিটি অফ ইলিয়োনয়িসের অধ্যাপক জিয়াডং সং এবং তার সহকর্মীরা জানান, পৃথিবীর ইনার কোর চাঁদের সমান একটি কঠিন অংশ যেটি দুই ভাবে বিভক্ত।

পৃথিবীর ইনার কোর থেকে আমরা অনেক কিছুই জানা সম্ভব। পৃথিবীর সৃষ্টির রহস্য, এর ইতিহাস, এর গঠন প্রক্রিয়া ইত্যাদি জানা সম্ভব হতে পারে। পৃথিবীর অভ্যন্তরে কি ঘটছে সে ব্যাপারে আমাদের নতুন অনেক ধারণা তৈরি হবে।

পৃথিবীর কেন্দ্র ভূপৃষ্ঠ থেকে ৫ হাজার কিলোমিটার গভীরে অবস্থিত। এটা সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হয় ১ বিলিয়ন বছর আগে। প্রতি বছর ০.৫ মিলিমিটার করে বৃদ্ধি পায় এটি।

জানা গেছে পৃথিবীর কেন্দ্রে বিভিন্ন রকম উপাদান রয়েছে যেগুলো বিভিন্ন অনুপাতে মিশ্রিত আছে। বিভিন্ন অবস্থার মাধ্যমে এরা গঠিত হয়েছে যা থেকে বুঝা যায়, আমাদের পৃথিবী সেসময় নাটকীয় সব পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গিয়েছে।


ইউনিভার্সিটি অফ ক্যামব্রিজের অধ্যাপক সাইমন রেডফার্ন গবেষণাটি সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন, ‘পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রবেশ করার মানে হচ্ছে সময়ের অঙ্ক পিছনে ফিরে যাওয়া, যখন এর গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিলো’।

তিনি আরো যোগ করে বলেন, ‘বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যায়, প্রায় আধা মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র একটি বড় ধরণের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। সম্ভবত সেসময় নিরক্ষবৃত্ত এবং মেরুবৃত্ত পরস্পর পরিবর্তিত হয়।

তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর 

February 20, 2015

,

অস্ট্রিলিয়া এবং বাংলাদেশের খেলা নিয়ে ভাববে আইসিসি

বলতে হবে বহুল প্রত্যাশিত
একটি ম্যাচ বাংলাদেশ বনাম
অস্ট্রেলিয়ার লড়াই। সাকিব,
তামিম, মুশফিক ও
মাশরাফি অস্ট্রেলিয়াড়
বিপক্ষে কেমন
খেলে সেটি দেখতে বাংলাদেশিদের
আগ্রহের কমতি নেই।
অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের
বিরুদ্ধে যে খুব আহামরি কিছু
একটা করতে পারে সে বিষয়টি কিন্তু
নয়। সবারই জেনে থাকার
কথা মোহাম্মদ রফিক খেলার সময়
বাংলাদেশের
বিরুদ্ধে বেশিরভাগ সময়ই
অসিরা ৩০০ রানের গন্ডি পার
করতে পারে নি।
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে জয় ও
ম্যাচে অসহায় করার
অভিজ্ঞতা টাইগারদের রয়েছে।
লিটল টাইগার খ্যাত মুশফিকুর রহিম
এই আত্মবিশ্বাস নিয়েই বলেছে,
আমাদের
পক্ষে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো সম্ভব।
অস্ট্রেলিয়ার
বিপক্ষে মাশরাফিদের
ম্যাচটি দেখার জন্য
ক্রিকেটপ্রেমীদের অধীর আগ্রহ।
তবে ঘুর্ণিঝড় ‘মার্সিয়া’
ভাসিয়ে দিচ্ছে তাদের
প্রত্যাশা।
আর এ ম্যাচ নিয়ে শঙ্কা। আবার ২০
ওভারের খেলা অনুষ্ঠিত
হওয়া নিয়েও শঙ্কা। ক্রিকইফোর
দেয়া তথ্য
মতে ম্যাচটি মাঠে না গড়ালে পয়েন্ট
ভাগাভাগি করা হবে।
আইসিসি এ বিষয়ে এ সিদ্ধান্ত
নিবে।
২ পয়েন্টের ১ পয়েন্ট
করে পাবে অস্ট্রেলিয়া ও
বাংলাদেশ।
তবে মাশরাফি বলেছেন, তার
টিম পয়েন্ট ভাগাভাগি চায় না।
খেলেই পয়েন্ট পেতে চায়।
অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া এটাকে একটি সুযোগ
হাতছাড়া হিসাবে দেখছে।
তবে ম্যাচটি মাঠে

February 19, 2015

, , , ,

ফোন বন্ধ থাকলেও বিপদ!

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ক্ষতিকারক ম্যালওয়্যারের আক্রমণ বাড়ছেঅ্যান্ড্রয়েড ফোনে নতুন একটি ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর ভাইরাস ছড়াচ্ছে, যা ফোন বন্ধ রাখলেও কল করতে পারে এবং ছবি তুলতে পারে। নিরাপত্তা পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এভিজির গবেষকেরা সম্প্রতি এই দাবি করেছেন। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এভিজির গবেষকেরা বলছেন, ফোন বন্ধ করলেও এই ম্যালওয়্যারটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীকে মূলত ধোঁকা দেয়। এটি ফোনের ‘শাট ডাউন’ প্রক্রিয়াটিকে দখল করে নেয় এবং ফোন বন্ধ করা হলে তা বন্ধ হওয়ার বিষয়টি স্ক্রিনের ওপর দেখায়। ফোনের স্ক্রিনে বন্ধ হওয়ার এনিমেশন ও স্ক্রিন কালো হয়ে যেতে দেখা গেলে আদতে ফোনটি তখনও চালু থাকে। এ অবস্থায় ফোনটি থার্ড-পার্টির কারও কাছে বার্তা পাঠানো, কল করা, ফোন রেকর্ড করা, ছবি তোলার মতো বিভিন্ন নজরদারির কাজ করতে পারে।
এভিজির গবেষকেরা অবশ্য এই ম্যালওয়্যারটি নাম বা কার্যপ্রণালির বিস্তারিত প্রকাশ করেনি। শুধু ম্যালওয়্যারটি কিছু কোড প্রকাশ করেছে।
সাধারণ অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য এভিজির গবেষকেদের পরামর্শ হচ্ছে, ফোন বন্ধ করে রাখলে যেন তারা ব্যাটারি খুলে বন্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তথ্য সুত্রঃ প্রথম আলো 

February 15, 2015

ঘরে মশা, মাছি তেলাপোকা ইত্যাদির উপদ্রব থেকে বাঁচতে সহজ প্রাকৃতিক সমাধান!

ঘরে নানা পোকামাকড়ের উপদ্রব খুব সাধারণ একটি সমস্যা। তবে এটি শুধু ঝামেলাই বাড়ায় না, নানা রোগও ছড়ায়। এসব পোকামাকড় ঘর থেকে তাড়াতে আমরা নানান কীটনাশক ব্যবহার করে থাকি, যা পোকামাকড়ের মতই ক্ষতি করে আমাদের শরীরের জন্য।

আজ আমরা জানবো কিভাবে কীটনাশক প্রয়োগ ছাড়াই ঘর থেকে ঘরে মশা, মাছি তেলাপোকা ইত্যাদির উপদ্রপ থেকে বাঁচতে পারবেন।

লেবুর রস:
প্রকৃতিতে বিভিন্ন জিনিস রয়েছে যা একে অপরকে প্রতিহত করতে পারে। কিছু জিনিস এক প্রজাতি সহ্য করতে পারলেও কিছু জিনিস অন্য প্রজাতি সহ্য করতে পারেনা। ঠিক তেমন লেবুর রস পিঁপড়া সহ্য করতে পারেনা, লেবুর রস নিয়মিত স্প্রে করলে পিঁপড়ার উপদ্রব কমে।

নিমপাতা বা কালোজিরা:
নিমপাতা তেঁতো একটি প্রাকৃতিক কীটনাশক। যদিও এটি পোকামাকড়দের জম তবে মানুষের উপকার ছাড়া এতে অপকার নেই। আলমারিতে বা কাপড় রাখার স্থানে তোশকের নিচে শুকনো নিমপাতা বা কালোজিরা কাপড়ে বেঁধে রাখুন। নিমপাতা পানিতে দিয়ে ঘর মুছুন। পোকা-মাকড়ের উপদ্রব কমবে।

দারচিনি ও লবঙ্গ:
দারচিনি ও লবঙ্গ হচ্ছে মশলা জাতীয় উপাদান। তবে এটি তেলাপোকা কিংবা পিঁপড়া তাড়াতে কাজে আসে। দারচিনি এবং লবঙ্গ আপনার ঘরে যেমন সুন্দর গন্ধ ছড়াবে তেমনি দূর করবে পিঁপড়ার যন্ত্রণা। ঘরের বিভিন্ন স্থানে কয়েক টুকরো দারচিনি ও লবঙ্গ রেখে দিন। চিনির পাত্রের প্রতি পিঁপড়াদের আগ্রহ অনেক বেশি, এটা সবাই জানি। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কয়েকটি লবঙ্গ রাখুন।

ফুটন্ত পানি:
রান্না ঘরের বেসিনের পানির লাইন ওয়াশ রুমের লাইনগুলোতে ফুটন্ত পানি ঢালুন।

ভিনেগার:
ঘরের মেঝে পরিস্কার করার সময় পানিতে দুই টেবিল চামচ ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এতে তেলাপোকা, পিঁপড়া এবং আরশোলা থেকে রেহাই পাবেন।

স্যাভলন:
ঘর থেকে মশা-মাছি দূর করতে স্যাভলন দিয়ে ঘর পরিষ্কার করুন। এটি আপনার ঘর জীবাণু মুক্ত রাখবে।

কর্পূর:
মশা তাড়াবার একটা সহজ উপায় হল কর্পূর এর ব্যবহার, কয়েক টুকরো কর্পূর আধকাপ পানিতে ভিজিয়ে খাটের নীচে রেখে দিন। এতে নিশ্চিত ভাবে বাসায় মশার উপদ্রপ কমে যাবে।

রোদ:
ঘরের, লেপ, তোশক, বালিস, কাপড় ইত্যাদি মাঝেমধ্যে রোদে দিতে হবে। এতে করে নানান পোকা মাকড় কম হয়।

লাইট:
খাবার পোকার হাত থেকে রক্ষার জন্য খাবার টেবিল ও রান্নাঘরে চুলার ওপর কোনো লাইট দেয়া যাবে না।

আলোবাতাস ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা:
প্রতিটি ঘরের কোনা অবশ্যই পরিষ্কার রাখতে হবে। ঘরে আলো-বাতাস প্রবেশ করার ব্যবস্থা করতে হবে।

আজ এটুকুই, আরো ভালো ভালো প্রাকৃতিক টিপস পেতে 360 World সাথেই থাকুন।


তথ্য সুত্রঃ দি ঢাকা টাইমস 

February 14, 2015

বিশ্বের সবচেয়ে দামি ১০টি বই

image_130329_0.23
সাধারণত আমরা বই কিনতে গেলে কমদামি বইয়ের খোঁজই করি। কিন্তু শুধু সেগুলোই বই নয়, বিশ্বে রয়েছে বহু দামি দামি বই। মূলত হাতে আঁকা কিংবা ঐতিহাসিক মূল্যের কারণে এ বইগুলো এত মূল্যবান হয়ে উঠেছে। এ ধরনের কিছু বইয়ের খোঁজ রয়েছে এ লেখায়।
১. কোডেক্স লেইসেস্টার
৩ কোটি ৮ লাখ ডলার মূল্যের এ বইটি বিশ্বের অন্যতম দামি বই। ১৯৯৪ সালে দ্য ভিঞ্চির নিজ হাতে লেখা বইটি কিনে নেন মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। তিনি বইটির ডিজিটাল ভার্সন বিশ্বের বিভিন্ন লাইব্রেরিতে দিয়েছেন।
২. ম্যাগনা কার্টা
২ কোটি ১০ লাখ ডলার মূল্যের এ বইটি বিশ্বের আরেকটি দামি বই। ২০০৭ সালে লন্ডনে এ বইটি বিশ্বের দ্বিতীয় মূল্যবান বই হিসেবে বিক্রি হয়। বর্তমান বিশ্বে এ বইয়ের ১৭টি কপি আছে।
৩. সেন্ট কাটবার্ট গসপেল
১ কোটি ৪৩ লাখ ডলার মূল্যের এ পকেট গসপেল বইটি বিশ্বের টিকে থাকা প্রাচীন বইয়ের অন্যতম এটি।
৪. বে স্যালম বুক
১ কোটি ৪২ লাখ ডলার মূল্যের এ বইটি বিশ্বের চতুর্থ দামি বই। যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত প্রথম বই এটি। বর্তমানে এ বইটির মাত্র ১১টি কপি টিকে আছে, যার একটি বিক্রি হয়েছে এ দামে।
৫. রথচাইল্ড প্রেয়ারবুক
১ কোটি ৩৪ লাখ ডলার মূল্যের ১৯৯৯ সালে একজন সংগ্রাহক বইটি কিনে নেন। তবে তার আগে অস্ট্রিয়ার জাতীয় লাইব্রেরিতে বইটি প্রদর্শিত ছিল।
৬. গসপেলস অপ হেনরি দ্য লায়ন
১ কোটি ১৭ লাখ ডলার মূল্যের এ বইটি ১৯৯৪ সালে কোডেক্স লেইসেস্টার বিক্রির আগে নিলামে বিক্রিত সবচেয়ে দামি বই হিসেবে পরিচিত ছিল। জার্মান সরকার ১৯৮৩ সালে লন্ডন থেকে বইটি কিনে নেয়।
৭. দ্য বার্ডস অফ আমেরিকা
বইটির তিনটি কপি বিশ্বের সপ্তম, অষ্টম ও নবম দামি বই হিসেবে পরিচিত। যেগুলোর মূল্য ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার, ৮৮ লাখ ডলার ও ৭৯ লাখ ডলার। ২০১০, ২০০০ ও ২০১২ সালে এ বইয়ের মূল্যবান কপিগুলো বিক্রি হয়। মূলত চিত্রকর্ম হিসেবে সমাদৃত এ বইটির লেখক জন জেমস অডবন।
৮. দ্য ক্যান্টারবারি টেলস
৭৫ লাখ ডলার মূল্যের এ বইটি বিশ্বের অন্যতম দামি বইই নয়, এটি অন্যতম বিখ্যাত বইও বটে। ১৩০০ সালে এ বইটির গল্পগুলো লেখা হয়। ১৯৯৮ সালে এ বইটির প্রথম প্রকাশের কপি বিক্রি হয় ৭৫ লাখ ডলারে।
৯. মি. উইলিয়াম শেক্সপিয়রস কমেডিস, হিস্টোরিস অ্যান্ড ট্রাজেডিস
৬১ লাখ ডলার মূল্যে ফার্স্ট ফলিও নামে পরিচিত এ বইটি বিক্রি হয়। এতে রয়েছে শেক্সপিয়রের সাহিত্য। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে দ্য টেম্পেস্ট, রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট, ম্যাকবেথ ও হ্যামলেটের মতো বিখ্যাত সাহিত্য।
১০. লেস লিলিয়াসিস
সবচেয়ে মূল্যবান বইয়ের তালিকায় লেস লিলিয়াসিস চলে আসায় অনেকেই অবাক হবেন। ‘র‌্যাফায়েল অফ ফ্লাওয়ার্স’ নামে পরিচিত এক শিল্পী এতে এঁকেছেন জলরংয়ের ছবিগুলো।

তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর 
,

৩৯ স্ত্রী বিদ্যমান এবার ৪০ তম বিবাহের প্রস্তুতি তাহার !

আমাদের দেশে অনেকেই হয়তো আছে যারা একটি মাত্র বিয়ে করতেই ভয় পায়। আবার বিয়ে করলেও একটি বউ সামলাতেই যেখানে হিমশিম খায় মানুষ সেখানে দুটা নয় পাঁচটা নয় গুনে গুনে ৪০ খানা বিবাহ !! তাও আবার সবগুলো স্ত্রী- ই এখনো বিদ্যমান ! আমাদের যে কারুরই হয়তো ভাবতে গেলেই অথবা স্বপ্নে দেখলেই পিলে চমকে উঠার কথা ! স্ত্রীর চাহিদা পূরন করতে পারবে কিনা, সংসার জীবনে দন্দের সৃষ্টি হবে কিনা, কতোটুকু সুখের হবে দাম্পত্য জীবন। এতো এতো চিন্তা-ভাবনা মাথায় জুড়ে বসায় যে কেউই ভীতসন্ত্রস্ত থাকে ।

কিন্তু মশায় এমন মানুষও কিন্তু আছে আপনার চেনা-জানা পৃথিবীতেই । এর আগে তিনি ৩৯ তম বিয়ে করেই খবরের শিরোনাম হয়েছিলেন আর এবার হুলুস্থুল ফেলে দিলেন ৪০ তম বিবাহের প্রস্তুতি নিয়ে ।


আসুন এবার পরিচয় করে দিই । বহুল আলোচিত সেই জনাবের নাম মিঃ ‘জাওনা ছানা পাওল’। ইতোমধ্যে আবারও সাড়ম্বরে বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।


সব বউদের দেখুন আলাদা করে

এবার একটুও অবাক না হয়ে জানুন তার পরিবারের পরিচিতি, ৩৯ স্ত্রী, ৯৪ ছেলেমেয়ে, ১৪ পুত্রবধূ ও ৩৪ নাতি-নাতনি মিলিয়ে তার পরিবারের সদস্য সংখ্যা এখন ১৮০ জন। দারুণ খবর হল তিনিই বিশ্বের সর্ববৃহৎ একান্নবর্তী পরিবারের সর্বময় কর্তা। তিনি হলেন মিজোরামের অদূরে বাকাতাওয়া গ্রামের বাসিন্দা । পরিবারটির আকার বড় হলেও কোনো সদস্যই আলাদা থাকেন না। একই ছাদের তলায় সদস্যদের রান্না হয় বিশাল চুলায়। চারতলা বাড়িতে ঘর রয়েছে মোট ১০০টি। রয়েছে প্রায় দেড়শ’ বিছানা। এছাড়াও রয়েছে আত্মীয়দের জন্য আলাদা ঘরের বন্দোবস্ত। তার মতে, এ যেন এক সুখের রাজ্যে বাস করছেন তিনি ।


ডাইনিং স্পেস

কিন্তু এত বড় সংসার যেখানে সেখানে খাবারের আয়োজন কেমন? সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পরিবারের একবেলার খাবারের জন্য দরকার পড়ে ৩০টি মুরগি আর ৪০ কেজি চালের ভাত। বছরের পর বছর বিশ্বের এই ব্যতিক্রমী পরিবার এভাবেই চলছে।কোথাও কোনো অসুখের বাতাবরণ নেই, বেশ শান্তিতেই রয়েছেন পরিবারের সব সদস্য। সর্বময় কর্তা ছানা পাওলের কথাই চূড়ান্ত বলে ধরা হয় এখানে। সন্তানরা বড় হলেও বাবার বিরুদ্ধে কথা বলার রেওয়াজ নেই এ পরিবারে। তারা বাবাকে যেমন ভয় করে তেমনই সমীহ করে চলে। তবে শুধুই কি ছেলেমেয়েরা? ছানার স্ত্রীরাও কি স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল? তার সর্বকনিষ্ঠ স্ত্রী রিংকমিনির বক্তব্য, এ সংসারে সবকিছুই না চাইতে পাওয়া যায়। আক্ষেপ কেবল একটাই।


এই বাড়িটিতেই থাকেন পুরো পরিবার

চাইলেই স্বামীকে কাছে পাওয়া যায় না। দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়। স্বামীর মন পেতে চারপাশে স্ত্রীরা ঘুরে বেড়ান। কখন যে আমায় একটু সময় দিবে এ আকাঙ্ক্ষায় ব্যস্ত তার স্ত্রীরা ।সম্প্রতি ছানা পাওলের ৬৮তম জন্মদিন পালন করেন পরিবারের সদস্যরা। অনুষ্ঠানটি চলে টানা তিন দিন। এতো কিছুর পরেও সাধ মেটেনি পাওলের। ফের বিয়ে করতে চান। আর এই বিয়ের জন্য পাত্রীর সন্ধানও শুরু করে দিয়েছেন।


তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর

February 13, 2015

, ,

মারা গেলে ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মালিক কে হবে?

মৃত্যুর পরে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মালিক কে হবে তা ঠিক করে যেতে পারবেন এখন থেকে। গতকাল বৃহস্পতিবার ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ‘লিগাসি কন্টাক্ট’ নামের একটি ফিচার উন্মুক্ত করায় এসুবিধা পা্ওয়া যাবে।

বর্তমানে শুধু যুক্তরাষ্ট্রে ‘লিগাসি কন্টাক্ট’ ফিচারটি ব্যবহার করা যাচ্ছে তবে পরবর্তীতে সব ফেসবুক ব্যবহারকারীরা এই সুবিধা পেতে পারেন। এই ফিচারটি ব্যবহার করে উত্তরাধিকারী নির্বাচন করে রাখলে ফেসবুক ব্যবহারকারীর মৃত্যুর পর ওই অ্যাকাউন্টের মালিকানা পাবেন তিনি। মনোনীত ব্যক্তি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার বা সচল রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। তবে মনোনীত ব্যক্তি ফেসবুক ব্যবহারকারীর পূর্বের প্রকাশিত কোনো পোস্ট পরিবর্তন করা বা পুরোনো বার্তাগুলো আর দেখতে পারবেন না।

উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রোফাইলের ছবি ও কভারের ছবি হালনাগাদ করা যাবে, নতুন বন্ধুর আমন্ত্রণ গ্রহণ করা যাবে এবং পোস্ট লেখা যাবে। ছবি ও পোস্ট আর্কাইভ থেকে তা ডাউনলোড ও তথ্য বিনিময় করা যাবে।

এই ফিচারটি সম্পর্কে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যখন কোনো মানুষ পৃথিবী ছেড়ে যান তাঁর অ্যাকাউন্টটিই যাপিত জীবন, বন্ধুত্ব ও অভিজ্ঞতার স্মরণীকা হয়ে থাকে। প্রিয়জন হারানো মানুষের সঙ্গে আমরা আলোচনা করে বুঝেছি তাঁদের ওই কষ্টকর অবস্থায় আমরা আরও খানিকটা পাশে থাকতে পারি এবং অ্যাকাউন্টের মালিকানা বুঝিয়ে দিতে পারি যাতে তাঁরাই অ্যাকাউন্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
লিগাসি কন্টাক্ট ব্যবহার করতে সেটিংস থেকে সিকিউরিটিতে যেতে হবে এবং সেখানে সবার নিচে এই ফিচারটি পাওয়া যাবে।

- news net bd

February 12, 2015

,

বোলিং সিমুলেটর - with vedio



আচ্ছা একটু ভেবে দেখতো তুমি ব্যাটিং করছো আর তোমার বিপরীতে বোলিং করছে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্রুততম বোলার ডেল স্টেইন বা অস্ট্রেলিয়ার মিশেল জনসন !! হয়তোবা তুমি ভেবে রোমাঞ্চিত বোধ করছো, তাই না?

আসলে ব্যাপারটা সত্যি সত্যি না হলেও যখন তুমি ব্যাটিং করবে তখন তুমি শিহরিত ও রোমাঞ্চিত বোধ করবে। তুমি কি মনে করছো এটা ভিডিও গেমস বা Play station এর কোনো একটা খেলা ?

না, এর নাম ভিডিও বোলিং সিমুলেটর (Video Bowling Simulator)।

ভিডিও বোলিং সিমুলেটরের সাহায্যে তুমি বিশ্বের নামকরা ভয়ংকর ও দ্রুতগতির বোলারদের মোকাবেলা করতে পারবে। তোমাদের খোলাসা করে বলছি ব্যাপারটা।

ধরো তুমি ব্যাটিং করছো নেটে আর তোমার বিপরীতে থাকবে একটা প্রজেক্টর( Projector )। তুমি ব্যাটিং করার সময় প্রজেক্টরে ভেসে উঠবে ডেল স্টেইনের বোলিং রানআপ ( Run up ) । অর্থাৎ, ডেল স্টেইন তোমার দিকে এগিয়ে আসবে এবং সে বোলিং ও করবে কিন্তু তোমার কাছে যে বলটা আসবে তা প্রজেক্টর থেকে নয়, প্রজেক্টরের পিছনে থাকা বোলিং মেশিন থেকে।

বোলিং মেশিন হচ্ছে এমন একটা যন্ত্র যেখানে বোলিং এর গতি ও দিক-প্রকৃতি নির্ধারিত করা থাকে। অর্থাৎ, মেশিন থেকে বলটা ছোঁড়ার পর বলটি একটি নির্দিষ্ট গতিতে কোন দিকে যাবে তা নির্ধারিত থাকে। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে যে, বলটা ইনসুইং করবে নাকি আউটসুইং করবে তাও বোলিং মেশিনে ঠিক করা যায়।

ম্যাচের আগে ব্যাটসম্যানের মাঝে একটা ভয় থাকে প্রতিপক্ষ বোলারদের নিয়ে। আর বোলাররা যদি হয় বিশ্বমানের তাহলে তো ব্যাটসম্যানের ম্যাচের আগের দিন রাতের ঘুম হারাম হয়ে যায় ! ভিডিও বোলিং সিমুলেটরের সাহায্যে ব্যাটসম্যানরা প্রতিপক্ষ বোলারদের নিয়ে মনের ভয় একটু হলেও দূর করতে পারবে ।

Video Bowling Simulator যন্ত্রটি বিশ্বের বিভিন্ন ক্রিকেট একাডেমীতে ব্যবহার করা হয়। আশা করি আমাদের দেশের ক্রিকেট একাডেমীতে বা ক্রিকেট ক্লাবে Video Bowling Simulator যন্ত্রের যখন প্রচলন হবে তখন তোমরা সেখানে গিয়ে এর মজাটা উপভোগ করতে পারবে।

February 11, 2015

, ,

ঢাকা কারাগারে বন্দীর সংখ্যা বেড়েছে ৩ গুণ

হরতাল-অবরোধ শুরুর পর ৩৭ দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে নাশকতায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৩ হাজার রাজনৈতিক কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আর মামলা হয়েছে সাত শতাধিক। ধরপাকড়ের কারণে দেশের কারাগারগুলোতে বন্দীর সংখ্যা বেড়েছে। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে এখন বন্দীর সংখ্যা ধারণক্ষমতার প্রায় তিন গুণ।
কারাগার সূত্র জানিয়েছে, স্বাভাবিক নিয়মে দেশের কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুণ বন্দী থাকে। অবরোধ শুরুর পর কারাগারগুলোতে বন্দীর সংখ্যা বেড়েছে ৪ হাজার ১৮৮ জন। এ সময় সাধারণ অপরাধের আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে খুবই কম। এক মাসে যেসব বন্দী কারাগারে এসেছে, তাদের ৮০ শতাংশই রাজনৈতিক মামলার আসামি।
পুলিশ সদর দপ্তরের সূত্র জানিয়েছে, গত ৩৭ দিনে পেট্রলবোমাসহ নানা উপায়ে ১ হাজার ৪৯টি যানবাহন ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার অভিযোগ বিভিন্ন থানায় লিপিবদ্ধ হয়েছে।
চলমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে পুলিশের বাজেটে টান পড়েছে। ঘাটতি মেটাতে আগামী তিন মাসের জন্য ১২৬ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ চেয়েছে পুলিশ। শুকনো খাবার, অতিরিক্ত সময় কাজ করা, আসামির খোরাকি, যানবাহনের তেল ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের জন্য এ অর্থ চাওয়া হয়েছে।
পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) মোখলেসুর রহমান এ বিষয়ে প্রথম আলোকে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে পুলিশকে আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় কাজ করতে হচ্ছে। এ জন্য আনুষঙ্গিক কিছু সুবিধা বাড়াতে হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণেই আছে।
পুলিশের একজন পদস্থ কর্মকর্তা জানান, দেশব্যাপী সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন পুলিশ প্রশাসন। গত ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত অপরাধবিষয়ক বার্ষিক সম্মেলনে একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যে এ উদ্বেগের কথা ফুটে ওঠে।
৬ জানুয়ারি টানা অবরোধ শুরুর পর থেকেই সারা দেশে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়। এর তিন সপ্তাহ পর বর্ডার গার্ডকে (বিজিবি) সঙ্গে নিয়ে যৌথ অভিযান শুরু করে পুলিশ। এ সময়ে যে ১৩ হাজার গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাঁদের প্রায় সবাই বিএনপি-জামায়াতের কর্মী।
অভিযানের প্রথম পর্যায়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সাহায্য নিয়ে থানাগুলোতে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিএনপি-জামায়াত ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীদের নামের তালিকা করা হয়। সেই তালিকা অনুযায়ী যাকে যেখানে পাওয়া যায়, গ্রেপ্তার করা হয়। তালিকা ধরে বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের বাড়ি বাড়ি অভিযান চালানো হয়। তবে অভিযানের সময় এঁদের বেশির ভাগ পলাতক থাকায় গ্রেপ্তার করা যায়নি। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কেন্দ্রীয় থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ের কর্মীরা আছেন। পুলিশের বিরুদ্ধে এসব অভিযানের নামে সাধারণ মানুষকে ধরে হয়রানি, মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করার অভিযোগও উঠেছে।
কারা অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কয়েকজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন যে হারে বন্দী কারাগারে আসে, প্রায় একই হারে ছাড়াও পায়। ফলে বন্দীর সংখ্যা সীমার মধ্যে থাকে। কিন্তু এক মাস ধরে যে হারে বন্দী আসছে, তার তুলনায় জামিনে বের হচ্ছে কম। ফলে হাজতি-বন্দীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।
কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশব্যাপী অবরোধ শুরু হওয়ার আগে ৪ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি কারাগারে বন্দীর সংখ্যা ছিল ৬৭ হাজার ৬১৪ জন। ৮ ফেব্রুয়ারি এসব কারাগারে বন্দীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭১ হাজার ৮০২। কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতা ৩৪ হাজার ৪৬০।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ধারণক্ষমতা ২ হাজার ৬৮২। গতকাল ১০ ফেব্রুয়ারি বন্দী ছিল সাড়ে সাত হাজার। ধারণক্ষমতার চেয়ে বন্দীর সংখ্যা প্রায় তিন গুণ বেশি হওয়ায় হিমশিম খাচ্ছে কারা কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট কারা কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, বর্তমান অবস্থা চলতে থাকলে এক সপ্তাহের মধ্যে বন্দীর সংখ্যা লাখ ছাড়িয়ে যাবে।
জানতে চাইলে কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) সৈয়দ ইফতেখার আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, তিন গুণের মতো বন্দী থাকায় ঢাকা কারাগারের ব্যবস্থাপনায় সমস্যা হচ্ছে। শুক্র ও শনিবার কিছু বন্দীকে কাশিমপুর কারাগারে সরিয়ে চাপ সামলানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ঢাকার বাইরের কারাগারগুলোয় বন্দী সংখ্যা ঢাকার মতো বাড়েনি।
কত ক্ষতি: পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাওয়া হিসাবে দেখা গেছে, ৫ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে ১ হাজার ৪৯টি যানবাহন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু পেট্রলবোমা মেরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে ১৭৯টি বাস ও ট্রাকে। বোমা ছাড়াও অন্য উপায়ে আগুন দেওয়া হয় ৪৫৭টি যানবাহনে। যানবাহন ছাড়া আরও ২২টি স্থাপনায় আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। আর ভাঙচুর হয়েছে ৪০৩টি যানবাহন।
পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশের কাছে যে হিসাব আছে, তা অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়। তবে পুলিশের হিসাবের বাইরেও অনেক ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ না হওয়ায় এসব তালিকায় আসেনি।
পুলিশের হিসাবে ৩৭ দিনে মোট ৫৪ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে দুজন পুলিশ সদস্য। ৫৪ জনের মধ্যে আগুন পুড়ে মারা গেছেন ৩৭ জন। এ সময় ১ হাজার ৫১৫টি ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ রেকর্ড করা হয়েছে। আহত হয়েছেন ৫০৭ জন।
পুলিশের হতাহতের বিবরণ থেকে জানা গেছে, এ সময় দুজন পুলিশ সদস্য নিহত ও ২৭৩ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশের ওপর সবচেয়ে বেশি আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামে। ওই অঞ্চলে ১০৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
তবে পুলিশের হিসাবের সঙ্গে পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যের অমিল রয়েছে। গতকাল পর্যন্ত প্রথম আলোতে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ক্রসফায়ারে নিহত ১৯ জনসহ মোট মৃতের সংখ্যা ৮৭।
আরও বরাদ্দ চায় পুলিশ: মাঠপর্যায়ের একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, টানা ৩৭ দিন দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ঢাকার বাইরের পুলিশ সদস্যরা হাঁপিয়ে উঠেছেন। অভিযান কম করে শুধু পাহারা দেওয়ার মধ্যেই তাঁরা দায়িত্ব সীমাবদ্ধ রাখছেন।
ওই সব কর্মকর্তা বলেন, বেশি সমস্যা হচ্ছে যানবাহনের তেল আর আসামির খোরাকি নিয়ে। থানাগুলোতে সরকারের যে নিয়মিত বরাদ্দ আছে, খরচ তার চেয়ে অনেক বেশি হচ্ছে। এ কারণে দেশের সব জেলা থেকেই খোরাকি ও গাড়ির তেলের বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে পুলিশ সদর দপ্তরে। এ জন্য পুলিশ সদস্যদের জন্য ৯০ দিনের রান্না বা শুকনো খাবারের খরচ বাবদ ৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৩০ হাজার ৭৫০ টাকা জরুরি ভিত্তিতে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ সদস্যদের বাড়তি সময় দায়িত্ব পালন (ওভার টাইম), গোয়েন্দা কার্যক্রম ও যানবাহনের জ্বালানি খরচ বাবদ আরও ৮৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা চাওয়া হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো পুলিশের চিঠিতে বলা হয়, হরতাল-অবরোধ মোকাবিলায় পুলিশ বাহিনীর ৯৪ হাজার ৯৪৯ জন সদস্য দায়িত্বে থাকছেন। এ সময় জনপ্রতি খাবার সরবরাহ বাবদ গড়ে দৈনিক ৭৫ টাকা করে দরকার হচ্ছে। এতে দৈনিক মোট ৭১ লাখ ২১ হাজার ১৭৫ টাকার প্রয়োজন। এ হিসাবে আনুমানিক তিন মাসের জন্য দরকার ৬৪ কোটি ৯ লাখ ৫ হাজার ৭৫০ টাকা। এর মধ্যে খাবার সরবরাহের জন্য পুলিশের কাছে ২০ কোটি ৮০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা তহবিলে আছে। মোট চাহিদা থেকে এ অর্থ বাদ দিয়ে আরও ৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৩০ হাজার ৭৫০ টাকা দরকার।
পুলিশের অর্থ শাখার একজন কর্মকর্তা জানান, সব জেলার চাহিদা এক করে আরও ১২৬ কোটি টাকার বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশ একাই চেয়েছে আট কোটি টাকা

তথ্য সূত্রঃ প্রথম আলো

 
Tricks and Tips