February 09, 2015

রেসিপিঃ হালিম


হালিমঃ


উপকরণ:
মুগ, বুট, মাষকলাই, মসুর ও চাল সব মিলিয়ে দেড় কেজি, গম (গুঁড়া) ১ কাপ, গরুর মাংস রান্না আধা কেজি, সুজি আধা কাপ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, মুরগির মাংস রান্না আধা কেজি, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, আদা বাটা ১ চা-চামচ, সয়াবিন তেল ১ কাপ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, তেঁতুলের মাড় আধা কাপ, ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ১০-১২টি, জিরাগুঁড়া ১ চা-চামচ, বিট লবণ ২ চা-চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদা কুচি ২-৩ টেবিল-চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ কাপ, লেবু পরিমাণমতো, লবণ প্রয়োজনমতো, ধনেপাতা কুচি আধা কাপ, এলাচ ৪টি, জর্দার রং আধা চা-চামচ, দারচিনি ৪টি ও এলাচ, দারচিনি, জায়ফল, জয়ত্রি একত্রে গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ।


প্রণালি: 

গম তাওয়ায় ভেজে গুঁড়া করে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। গরু ও মুরগির মাংস আমরা যেভাবে বাসায় রান্না করি, সেভাবে রান্না করে নিতে হবে। মাংসের তেল ও ঝোলটা আলাদা করে নিতে হবে। একটি পাত্রে আধা কাপ তেল দিয়ে একমুঠো পেঁয়াজ লাল করে ভেজে এর ভেতর আলাদা করা ঝোল ও জর্দার রং গুলিয়ে দিতে হবে। ফুটে উঠলে নামানোর আগে আধা চা-চামচ গরম মসলাগুঁড়া দিতে হবে। হালিমের ওপরের গ্লেসটা এই মসলা দিয়ে হবে। মুগডাল সামান্য ভেজে নিতে হবে এবং সব ধরনের ডাল ও চাল আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। ডাল ও চাল সেদ্ধ করে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা দিতে হবে। গরম মসলা দিতে হবে। ডাল সেদ্ধ হলে ঘুঁটনি দিয়ে ঘুঁটে নিতে হবে ও ডালের চার গুণ পানি দিতে হবে। ফুটে উঠলে ভিজানো গম ও কাঁচা মরিচ দিয়ে নাড়তে হবে। না হলে নিচে লেগে যাবে। গম সেদ্ধ হয়ে ঘন হয়ে এলে সব মাংস দিতে হবে। ডাল, গম ও মাংস ভালোভাবে মিশে গেলে বিট লবণ ও তেঁতুলের মাড়, ধনেপাতা ও বাগাড় দেওয়া ঝোল দিতে হবে। এবার সুজি ঠান্ডা পানি দিয়ে গুলিয়ে প্রয়োজনমতো দিতে হবে। সব শেষে থকথকে ভাব আনার জন্য পেঁয়াজের বাগাড় দিয়ে লবণ চেখে নামিয়ে লেবু, আদা কুচি, ধনেপাতা ও বেরেস্তা দিয়ে পরিবেশন।

বি.দ্র.:
১. যাঁদের ডাল খাওয়া নিষেধ তাঁরা শুধু গম ও সুজি দিয়েও হালিম বানিয়ে খেতে পারেন।
২. শুধু এক রকমের মাংস দিয়েও হালিম বানানো যায়।

বন্ধ করতে হবে জীবাশ্ম জ্বালানী উত্তোলন

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইলে বন্ধ করতে হবে জীবাশ্ম জ্বালানী উত্তোলন। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের বিজ্ঞানীদের করা সাম্প্রতিক এক গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, বৈশ্বিক উষ্ণতার হার ‘২সি’-এর নিচে রাখার লক্ষমাত্রা অর্জন করতে চাইলে উত্তোলন করা যাবে না মাটির নিচে থাকা জীবাশ্ম জ্বালানীর সিংহভাগই।
এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, গোটা বিশ্বে আবহাওয়ার বিপজ্জনক পরিবর্তন ঠেকাতে ২০৫০ সাল পর্যন্ত কী পরিমাণ জীবাশ্ম জ্বালানী উত্তোলন করা যেতে পারে তার আনুমানিক হিসাব দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

ওই গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘২সি’ লক্ষ্য মাত্রা অর্জনের জন্য মাটির নিচে মজুদ ৮০ শতাংশ কয়লা, ৫০ শতাংশ গ্যাস এবং ৩০ শতাংশ তেল উত্তোলন করা বা জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

এ প্রসঙ্গে গবেষক দলের প্রধান ড. ক্রিস্টোফি ম্যাকগ্লেড বলেন, “২সি তাপমাত্রা সীমারেখা বজায় রাখার জন্য যে পরিমাণ জীবাশ্ম জ্বালানী অব্যবহৃত রাখা উচিত, সেগুলোর নির্দিষ্ট পরিমাণ ও অবস্থান সম্পর্কে আমরা এখন জানি। নীতি নির্ধারকদের বোঝা উচিত যে, নিজ দেশের সকল জীবাশ্ম জ্বালানী ব্যবহারের যে ইচ্ছা তাদের মধ্যে রয়েছে তা তাদের ‘২সি লক্ষ্য’ সম্পর্কে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বিরোধী।”

অতীত গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সব মজুদ জীবাশ্ম জ্বালানী সম্পদ পুড়িয়ে ফেললে তা থেকে ২সি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে তিনগুণ বেশি কার্বন নির্গত করবে

তথ্য সূত্রঃ বিবিসি

, ,

সিলেট মেডিকেলে এক রাতে ১০ শিশুর মৃত্য

সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক রাতে পাঁচ নবজাতকসহ ১০ শিশু মারা গেছে। ভুল চিকিৎসা এবং এবং গাফিলতির কারণেই এসব মৃত্যু ঘটেছে বলে অভিযোগ স্বজনদের।

 

সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বজনদের অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে দাবি করেছে, বিভিন্ন রোগ ও ঠাণ্ডাজনিত কারণে এসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর জন্য চিকিৎসকরা দায়ী নয়।

 তথ্য সূত্রঃ আরটিএনএন

,

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে -দিল্লিকে ঢাকার আশ্বাস শুভজ্যোতি ঘোষ

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা সরাজ
বাংলাদেশে অশান্ত পরিস্থিতি সামলাতে শেখ হাসিনার সরকার প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে প্রতিবেশী ভারতকে তারা আশ্বস্ত করেছে বলে জানা গেছে।
শেখ হাসিনার সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসও মনে করছে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়নি, এবং অবস্থা সামাল দিতে জরুরি অবস্থা বা সামরিক হস্তক্ষেপেরও এখনই প্রয়োজন হবে না।
বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ আজ (সোমবার) দিল্লিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে এই মর্মেই ‘ব্রিফ’ করেছেন বলে বিবিসি জানতে পেরেছে।
ভারত এই বৈঠক নিয়ে সরকারিভাবে মুখ খোলেনি। বরঞ্চ বলা হয়েছে এটা নিয়মিত রুটিন বার্ষিক বৈঠক।
শুধু পঙ্কজ শরণই নন, আসলে এই মুহূর্তে সারা দুনিয়া জুড়ে ভারতের যত রাষ্ট্রদূত আছেন তারা সবাই দিল্লিতে এসেছেন তাদের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে।
দিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্রে বিবিসি জানতে পেরেছে মি শরণ তার মন্ত্রীকে এটাই জানিয়েছেন যে বাংলাদেশ সরকার এখনও মনে করছে পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে আছে এবং দরকারে তারা আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতেও প্রস্তুত।
কিন্তু জরুরী অবস্থা বা সামরিক বাহিনী নামানোর মতো অবস্থা এখনও হয়নি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বিবিসিকে বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরেছে বা তিনি আপোষের জন্য প্রস্তুত এমন কোনও ইঙ্গিত কিন্তু তারা এখনও পাননি। বরং তিনি আরও কড়া হাতে সহিংসতার মোকাবিলা করবেন বলেই কথা দিয়েছেন

তথ্য সূত্রঃ বিবিসি বাংলা

 
Tricks and Tips