February 24, 2015

,

জেনে নিন , ওয়াইফাই সংযোগের গতি বাড়ানোর ৫টি উপায়

আপনার ইন্টারনেটের পেছনে আপনি যত টাকা খরচ করেন সে পরিমাণ কি ইন্টারনেটের গতি পাচ্ছেন? একটি দুর্বল ওয়্যারলেস সংযোগের সাহায্যে একটি পেজ লোড হতেই অনেক সময় নেয় সেই সাথে কোন কিছু ডাউনলোড করতে চাইলে অপেক্ষা করতে হয় অনেক্ষণ। সুতরাং এই ধরণের দুর্বল ওয়্যারলেস সংযোগের পেছনে অযথা টাকা নষ্ট করার আসলে কোন অর্থই হয়না তবে কিছু সহজ ও ছোট্ট উপায় অবলম্বন করে বাড়াতে পারেন আপনার ওয়াইফাই সংযোগের গতি।
ff
ওয়াইফাই সংযোগের ক্ষেত্রে সাধারণত ইন্টারনেট গতি দেয়াল, আসবাবপত্র, অন্যান্য ইলেকট্রনিকস্, এবং এমনকি মানুষ দ্বারাও ব্যাহত হতে পারে। সৌভাগ্যবসত, ইন্টারনেট গতি বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন সহজ কৌশল আছে।

চলুন জেনে নিই ওয়াইফাই সংযোগের গতি বাড়ানোর ৫টি উপায়:

১)রাউটারের লোকেশন পরিবর্তন

ওয়াইফাই সংযোগের গতি বাড়ানোর সহজ উপায় হল রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন বা অবস্থানের মাঝে সমন্বয় করা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, রাউটার বাড়ির ভেতরে আসা ইন্টারনেট তারের কাছাকাছি রাখা হয়। বেশিরভাগ রাউটারের অ্যান্টেনা সর্বতোমুখী হয় ফলে সবদিকে সংকেত পাঠানো ও রিসিভ করা সম্ভব হয়। তাই রাউটারের অবস্থান এমন স্থানে হওয়া উচিৎ যেখান থেকে রাউটার সবদিকে সংকেত পাঠাতে পারে।

২) ওয়্যারলেস রাউটারের সম্মুখে একটি উন্নত এন্টেনা যোগ করুন(বহির্গামী)

কখনও কখনও রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন করে ইন্টারনেটের গতি উন্নত করা সম্ভব হয়না। এইক্ষেত্রে কর্মক্ষমতা উন্নত করার জন্য অ্যান্টেনা পরিবর্তন পরবর্তী পদক্ষেপ হতে পারে। যদি একটি রাউটারের চারপাশে অনেক দেয়াল এবং অনেক বাধা থাকে তবে সেইক্ষেত্রে একটি এক্সটারনাল এন্টেনা রাউটারের সামনে সঠিকভাবে পজিশনিং করে রাউটারের গতি বাড়াতে পারবেন।

৩) ওয়্যারলেস ডিভাইসে একটি উন্নতমানের এন্টেনা যোগ (অভিমুখি)

কিছু কিছু ওয়্যারলেস ডিভাইসে উন্নতমানের এন্টেনা প্রতিস্থাপন করে উন্নত গতি অর্জন করতে পারেন। অবশ্যই এটা স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের জন্য একটু কঠিন, কিন্তু ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটারের ক্ষেত্রে সহজেই এক্সটারনাল এন্টেনা যুক্ত করে ওয়াইফাই সংবেদনশীলতা এবং পরিসীমা বৃদ্ধি করা সম্ভব।


৪)একটি ওয়্যারলেস রিপিটার যোগ করুন

একটি নেটওয়ার্কের পরিসীমা প্রসারিত করতে একটি ওয়্যারলেস রিপিটার যোগ করতে পারেন যা রাউটার এবং সংযুক্ত ডিভাইসের মধ্যে একটি সেতু হিসাবে কাজ করে। ১০০ ডলারের মধ্যেই অনেক ভালো ভালো রিপিটার বাজারে পাওয়া যায়।

৫) বেকগ্রাউন্ডের কাজ বন্ধ করুন

একটি নেটওয়ার্কের গতি বেকগ্রাউন্ডে চলাকালীন একাধিক কাজের জন্য স্লো হতে পারে। ব্যবহারকারীর কম্পিউটার, ট্যাবলেট, বা ফোনের বেকগ্রাউন্ডে যদি একধিক প্রোগ্রাম একাধারে চলতে থাকে তবে ইন্টারনেটের গতি হ্রাস পায়। তাই ইন্টারনেটের গতি সর্বাধিক করতে এসব নোটিফিকেশন ও অব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন বন্ধ করুন।

তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর 

বহু প্রতীক্ষিত হোয়াটসঅ্যাপে এবার শুধু ম্যাসেজ নয় কথাও বলতে পারবেন আপনি!

হোয়াটসঅ্যাপ’ আর শুধুমাত্র মোবাইল ম্যাসেজিং সার্ভিস থাকছে না। বহু প্রতিক্ষীত ইন্টারনেট কলিং সার্ভিস নিয়ে আসতে যাচ্ছে ম্যাসেজিংয়ের এই শীর্ষস্থানীয় অ্যাপটি।
সম্প্রতি এর কলিং ফিচারটি নিয়ে পরীক্ষা চালানো হয়েছে।  গুটিকয়েক ‘হোয়াটসঅ্যাপ’ ব্যবহারকারীর প্রোফাইলে কলিং অপশনটি দেওয়া হয়। গতকাল শুক্রবার ভয়েস কলিং ফিচারটি চালু করা হয়। এর পরপরই তাদের হোয়াটসঅ্যাপে কল আসে। তারা কলটি রিসিভ করে কথাও বলেছেন। ব্যবহারকারীদের মাধ্যমে ফিচারটি পরীক্ষা করার অর্থ হলো, এরপর তারাই অন্যান্য ব্যবহারকারীর কাছে এর খবর পৌঁছে দেবেন। অ্যান্ড্রয়েড এবং ব্ল্যাকবেরি ১০ ব্যবহারকারীরা হোয়াটসঅ্যাপের নতুন সংস্করণের মাধ্যমে কলিংয়ের সুবিধা নিতে পারবেন। তবে আপাতত নির্দিষ্ট সংখ্যক ব্যবহারকারীকে কলিং ফিচারটি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে।
এখনো আইফোন-এ চালু হচ্ছে না কল করার সুযোগ। তবে আইওএস এর জন্যে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন সংস্করণে কলিং বাটন রাখা হয়েছে। উইন্ডোজ ফোনেও এখোনি দেওয়া হবে না কলিং ফিচার। তবে কলিং বাটনটি দেওয়া হচ্ছে।
যাদের প্রোফাইলে কলিং ফিচারটি চালু হবে, তারা পর্দায়  ‘ডায়ালিং আ ভয়েস কল টু হোয়াটসঅ্যাপ কন্টাক্টস’  লেখা পৃথক অংশ দেখতে পাবেন। কথা বলা অবস্থায় লাউডস্পিকার চালুর বাটনটিও দেওয়া হয়েছে।
, ,

ইঁদুরের মধ্যে মানুষের ডিএনএ!

ইঁদুরের ভ্রূণের মধ্যে মানুষের ডিএনএ সিকোয়েন্স ঢুকিয়ে তা নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই পরীক্ষার ফলে ইঁদুরের মস্তিষ্কের আকার আরও বড় হয়েছে বলে দাবি করেছেন গবেষকেরা। আলঝেইমারের মতো রোগের চিকিৎসায় এই গবেষণা কাজে লাগবে বলে তাঁরা উল্লেখ করেছেন। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
rtyrt
যুক্তরাষ্ট্রের ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, মানুষের জেনেটিক কোডের সঙ্গে মানুষের প্রজাতির সঙ্গে মিল রয়েছে এমন প্রাণীর অনেক মিল রয়েছে। এ রকম একটি প্রাণী হচ্ছে শিম্পাঞ্জি। শিম্পাঞ্জির সঙ্গে মানুষের ৯৫ শতাংশ মিল রয়েছে। শিম্পাঞ্জির সঙ্গে যে পার্থক্য রয়েছে তার মধ্যে একটি হচ্ছে মস্তিষ্কের আকার। মানুষের মস্তিষ্কের আকার শিম্পাঞ্জির চেয়ে বড়। শিম্পাঞ্জির মস্তিষ্কের ওজন ৩৮৪ গ্রাম আর মানুষের প্রায় এক কেজি ৩৫২ গ্রাম।


শুধু মস্তিষ্কের ওজন নয় বুদ্ধিমত্তার দিক থেকেও শিম্পাঞ্জির চেয়ে মানুষ এগিয়ে। গবেষকেরা দাবি করেছেন, শিম্পাঞ্জির মতো প্রাণীর সঙ্গে মানুষের বিবর্তনগত পার্থক্যের জন্য যে ডিএনএ সিকোয়েন্স ভূমিকা রাখে সেটা তারা বের করতে পেরেছেন।কিন্তু কীভাবে তাঁরা এটা করেছেন? গবেষকেরা বলছেন, ইঁদুরের ভ্রূণ নিয়ে গবেষণা করে এই পার্থক্য ধরতে পেরেছেন তাঁরা। এই ডিএনএ সিকোয়েন্সকে বলা হয় হেয়ার ৫ (এইচএআরই৫)। এই জিন সিকোয়েন্স যখন ইঁদুরের ভ্রূণে ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করানো হয়, তখন ইঁদুরের মস্তিষ্কের আকার বড় হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ পর্যন্ত মস্তিষ্কের বৃদ্ধির বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে।

কারেন্ট বায়োলজি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণা-সংক্রান্ত নিবন্ধ।ডিউক ইউনিভার্সিটির মেডিকেল স্কুলের মলিকুলার জেনেটিকস অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডেবরা সিলভার এ বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি বলেন, ‘হেয়ার ৫ ছাড়াও আমাদের খোঁজ পাওয়া আরও কয়েকটি সিয়োকেন্স মানুষের মস্তিষ্কের অনন্যতার বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করতে পারে। হেয়ার ৫ মূলত ‘এনহ্যান্সার’ নামে পরিচিত, যা ‘হিউম্যান-অ্যাকসেলেরেটেড রেগুলেটরি এনহ্যান্সারস’ গ্রুপের মধ্যে পড়ে। এর মধ্যে হেয়ার ১ থেকে হেয়ার ৬ পর্যন্ত সিকোয়েন্স রয়েছে। এনহ্যান্সারস হচ্ছে ডিএনএর ছোট অংশ, যা প্রতিটি জিনোমের মধ্যে থাকে এবং জিনের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।

গবেষক ডেবরা জানিয়েছেন, মস্তিষ্কের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখা ডিএনএর অবস্থান শনাক্ত করতে আমাদের গবেষণা দল মানুষ থেকে শুরু করে বানর পর্যন্ত বিভিন্ন প্রাণীর জেনোমিক তথ্যের ডেটাবেজ বিশ্লেষণ করে। ১০৬টির মতো গ্রুপ নিয়ে গবেষণা করে শেষ পর্যন্ত হেয়ার গ্রুপটি মস্তিষ্ক বৃদ্ধির জন্য ভূমিকা রাখে সেই তথ্য জানা সম্ভব হয়। এর মধ্যে হেয়ার ৫ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

ডেবরা আরও জানান, মজার বিষয় হচ্ছে মানুষ ও শিম্পাঞ্জির হেয়ার ৫ জিনোম সিকোয়েন্সে যথেষ্ট মিল পাওয়া গেছে। কিন্তু এই জিনোম যখন ইঁদুরের ভ্রূণে ব্যবহার করা হয়েছে তখনই আসল পার্থক্য ধরা পড়েছে।গবেষকেরা মনে করছেন, তাদের এই গবেষণা নির্দিষ্ট মস্তিষ্কের অবস্থার সঠিক চিত্র বুঝতে সাহায্য করবে। অটিজম ও আলঝেইমারের মতো রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও তা কাজে লাগানো যাবে।

তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর 
, ,

জেনে নিন ঢালিউডে এক সিনেমায় কে কত পান?

হলিউড-বলিউড তারকাদের পারিশ্রমিক সম্পর্কে প্রায় সকলেই জানেন এ নিয়ে হরহামেশাই সংবাদ হয়। কিন্তু ঢালিউড তারকাদের সে খবর প্রায় সবার কাছেই অজানা। তাই জেনে নিন ঢালিউডের কোন তারকা ছবি প্রতি কত টাকা পারিশ্রমিক নেন।
xcbb

শাকিব খানঃ
ঢালিউডে সব থেকে বেশি পারিশ্রমিক নাম্বার ওয়ান নায়ক শাকিব খানের। ছবিপ্রতি এ নায়ক নেন ২০-২৫ লাখ টাকা। পাশাপশি রয়েছে তার যাতায়াত ও আলাদা আপ্যায়নের খরচও।


বাপ্পি চৌধুরীঃ
শাকিবের পরের অবস্থানেই রয়েছেন বর্তমান সময়ের তরুন নায়ক বাপ্পি চৌধুরী। ছবিপ্রতি এ নায়কের চাহিদা ১০ লাখ। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে এর থেকে কম টাকায়ও ছবি করেন বাপ্পি।


আরিফিন শুভঃ
ঢালিউডের বর্তমান সময়ের আরেক আলোচিত নায়ক আরিফিন শুভ পান ছবিপ্রতি ৩-৫ লাখ টাকা। তবে ছবি নিয়ে তার রয়েছে বেশ কিছু শর্ত।


অপু বিশ্বাসঃ
নায়িকাদের মধ্যে ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস পান সব থেকে বেশি পারিশ্রমিক। ছবিপ্রতি তার চাহিদা ৫ লাখ টাকা। এছাড়া তারও রয়েছে আলাদা যাতায়াত ও আপ্যায়ন খরচ।

মাহিয়া মাহীঃ
জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিয়া মাহীও ছবিপ্রতি ৩-৪ লাখ টাকা করে নেন। তবে মাহী শুধু জাজ মাল্টিমিডিয়ার সিনেমায় অভিনয় করার কারণে পারিশ্রমিক নিয়ে তার ধরা বাধা কোন চাহিদা নেই। তাছাড়া শোনা যায়, এ প্রতিষ্ঠানের মালিকের সঙ্গেও রয়েছে তার বিশেষ সম্পর্ক।


ববিঃ
বর্তমান সময়ের বিতর্কিত নায়িকা ববিও ছবিপ্রতি পান লাখ টাকার উপরে। তবে অনেক ক্ষেত্রে এ নিয়ে ছাড় দিয়ে চলেন ববি।

তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর 

 
Tricks and Tips