January 22, 2015

,

‘নাশকতাকারীদের ধরিয়ে দিলে পুরস্কার দেবে সরকার’

হরতাল-অবরোধ চলাকালে নাশকতাকারীদের ধরিয়ে দিলে এক লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে সরকার।

বুধবার সচিবালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটির বেঠক শেষে এ কথা জানান কমিটির সভাপতি শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।





আমু জানান, বিএনপি জোটের অবরোধে নাশকতা ঠেকাতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে গঠিত স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কমিটিকে আরো শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তিনি জানান, গত কয়েকদিনে নাশকতার আশঙ্কায় সারাদেশে সাত হাজার ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল নাশকতাকারীদের ধরিয়ে দিতে পারলে পুরস্কার দেয়া হবে বলে ঘোষণা দেন। তবে তিনি এর পরিমাণ জানাননি। জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এই পুরস্কারের কথা জানান।

প্রসঙ্গত, গত ৫ জানুয়ারি থেকে চলমান অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে গাড়িতে পেট্রলবোমা হামলা, ভাঙচুর ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় দগ্ধ ও আহত রোগীরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সরকার এ্ই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য হার্ডলাইনে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হলো।

তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর
, ,

বিদ্যুতের দাম গ্রাহকপর্যায়ে ২২.৪৫% বাড়ানোর আবেদন

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর গণশুনানি শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুললেটরি কমিশনের (বিাইআরসি) কাছে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ২২ দশমিক ৪৫ শতাংশ বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে।

পিডিবি প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড়মূল্য ১ টাকা ৩৭ পয়সা বাড়িয়ে ৬ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৭ টাকা ৪৭ পয়সা করার প্রস্তাব দিয়েছে।

কমিশনের কাছে প্রস্তাব উত্থাপন করেন পিডিবির জেনারেল ম্যানেজার (বাণিজ্যিক) আব্দুর রউফ।

প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি চলছে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে টিসিবি অডিটোরিয়ামে। সকাল সাড়ে ১০টায় শুনানি শুরু হয়।

বিইআরসির চেয়ারম্যান এ আর খানের সভাপতিত্বে কমিশনের সদস্য ড. সেলিম মাহমুদ, প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন, মো. মাকসুদুল হক ও রহমান মুরশেদ গণশুনানিতে উপস্থিত রয়েছেন।

তথ্য সূত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর 
,

রূপচর্চায় কাঁচা হলুদের ৯টি জাদুকরী ব্যবহার!

লাইফস্টাইল ডেস্ক : হলুদ আমাদের প্রত্যেকের রান্নাঘরে ভীষণ সহজলভ্য একটি উপাদান। হলুদ ব্যতীত বাঙালিদের রান্না যেন কল্পনাই করা যায়না। সেই প্রাচীন কাল থেকেই হলুদ ব্যবহৃত হয়ে আসছে নানান রকম চিকিৎসায় আর সেই সাথে কাঁচা হলুদ রূপচর্চার অন্যতম উপাদান হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে আসছে যুগ যুগ। কাঁচা হলুদে আছে অ্যান্টি এজিং উপাদান, তাই ত্বক হতে বয়সের ছাপ দূর করতে হলুদের জুরি মেলা ভার। আবার অন্যদিকে হলুদ অ্যান্টি সেপটিক হিসাবেও চমৎকার কাজ করে, তাই ব্রণ দূর করতে বা ক্ষত সারাতেও অতুলনীয়। আসুন জেনে নেই সৌন্দর্য চর্চায় কাঁচা হলুদের কয়েকটি অনবদ্য ব্যবহার।
ব্রণের চিকিৎসায়- ব্রণ সারাতে হলুদের মতন চমৎকার প্রাকৃতিক উপাদান খুব কমই আছে। ব্রণের ইনফেকশন কমানো হতে শুরু করে ব্রণের দাগ দূর করা পর্যন্ত হরেক রকম ব্যবহার আছে এর। নিম্নে রইলো সেগুলোর মাঝে কয়েকটি।
১) ব্রনের প্রচুর ব্রণ ওঠে তাদের জন্য কাঁচা হলুদ জাদুর মতো কাজ দেয়। ব্রনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কাঁচা হলুদ বাটা, আঙ্গুরের রস ও গোলাপ জল মিশিয়ে ব্রনের উপরে লাগান। কিছু সময় পর ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ মিলিয়ে যাবে ও ইনফেকশন হবে না।

২) কাঁচা হলুদ বেটে রস করে নিন। এই হলুদের রসের সাথে মুলতানি মাটি ও নিমপাতার রস এক সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট করে ফেস প্যাকের মতন মুখে লাগান। প্যাক শুকিয়ে এলে গোলাপজল দিয়ে আলতো হাতে ম্যাসাজ করে করে নিন এবং পানির সাহায্যে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণের প্রকোপ কমবে।
৩) ব্রনের দাগ দূর করতে কাঁচা হলুদ ও নিমপাতা বেটে দাগের উপর লাগান। কিছুদিন লাগালে দাগ মিলিয়ে যাবে।
ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে
যুগে যুগে কাঁচা হলুদ ব্যবহৃত হয়ে আসছে সুন্দর ও উজ্জ্বল ত্বক পাবার আকাঙ্ক্ষায়। তবে ব্যবহার করতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে।
৪) কাঁচা হলুদ বাটা,বেসন, চালের গুঁড়া ও টক দই একসাথে মিশিয়ে নিন। এবার সারা মুখে ও গলায় লাগান। শুকিয়ে গেলে হালকা হাতে ঘষে তুলে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে তিনদিন লাগালে ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ হবে।
৫) কাঁচা হলুদ ও মসুর ডাল একত্রে বেটে নিয়ে সাথে মুলতানি মাটি ও গোলাপজল সহযোগে পেস্ট তৈরি করে ত্বকে লাগান। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও মসৃণ।
৬) কাঁচা হলুদ ও শুকনো কমলার খোসা একত্রে বেটে স্ক্রাবার হিসাবে পুরো শরীরে ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকে আসবে অন্য রকম জেল্লা। বলিরেখা, রোদে পোড়া ও অ্যালার্জির জন্য-
৭) বলিরেখা দূর করতে কাঁচা হলুদের সাথে দুধের সর মিশিয়ে মুখে মাখুন ফেস প্যাক হিসাবে। নিয়মিত লাগালে অবশ্যই দারুন উপকার পাবেন।
৮) রোদেপোড়া দাগ কমাতে মসুর ডালবাটা, কাঁচা হলুদবাটা ও মধু একসাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগান।
৯) যাদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে হলুদ মেশানো পানিতে গোসল করলে অ্যালার্জি ও র‍্যাশের সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। মনে রাখবেন হলুদ দিয়ে কখনো রোদে বের হবেন না, তাহলে ত্বক পুড়ে কালো হয়ে যাবে। আর তাই হলুদ দিয়ে রূপচর্চা করবেন রাতের বেলা। কখনোই দিনের বেলা নয়।

তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর 
,

পাবনায় দুধের কেজি ১০ টাকা!

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, পাবনায় এখন ১০ টাকা কেজি দরে দুধ বিক্রি হচ্ছে। পানির চেয়ে কম দরে দুধ বিক্রি হলেও তাও আবার কেনার মানুষ নেই। ফলে দেশের প্রধান দুগ্ধ উৎপাদনকারী এলাকা বলে পরিচিত পাবনা-সিরাজগঞ্জের দুগ্ধ খামারিরা উৎপাদিত দুধ নিয়ে চরম বিপাকে পড়ছেন।

খামারিদের অভিযোগ হরতাল অবরোধের কারণে স্থানীয় দুগ্ধ সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো দুধ সংগ্রহ ব্যাপকভাবে কমিয়ে দেওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই খামারিদের উৎপাদিত দুধের একটা বড় অংশ অবিক্রিত থেকে যাচ্ছে। স্থানীয় দুগ্ধ সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে দুধ বিক্রি করতে না পেরে খামারিরা স্থানীয় বাজারে পানির চেয়ে কম দরে উৎপাদিত দুধ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে শুধু খামারিরাই নয় স্থানীয় দুধ ব্যবসায়ীরাও চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তবে স্থানীয় দুগ্ধ সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের দাবি, তাঁরা দুধ সংগ্রহ কমাননি। অবরোধের কারণে তাদের গাড়ীগুলো চলাচল করতে না পারায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।


সরেজমিন জানা যায়, পাবনার বেড়া, সাঁথিয়া, ফরিদপুর, ভাঙ্গুড়া এবং সিরাজগঞ্জের শাহাজাদপুর ও উল্লাপাড়া উপজেলা নিয়ে গড়ে ওঠা দেশের প্রধান দুগ্ধ উৎপাদনকারী অঞ্চলের লক্ষাধিক খামারির আয়ের একমাত্র উৎস তাঁদের খামারে উৎপাদিত দুধ। প্রচুর দুধ উৎপাদিত হওয়ায় এ অঞ্চল থেকে মিল্ক ভিটা, আড়ং দুধ, প্রাণ, ফার্মফ্রেস, অ্যামোমিল্ক, আফতাব, রংপুর ডেইরিসহ কয়েকটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান তরল দুধ সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাত করে সারা দেশে খোলা বাজারে বিক্রি করে থাকে। ব্যাপক চাহিদার কারণে সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আগে রীতিমত প্রতিযোগিতামূলকভাবে খামারিদের কাছ দুধ সংগ্রহ করত। কিন্তু গত ৩১ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারি হরতাল এবং ৪ জানুয়ারি থেকে টানা অবরোধের কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো দুধ সংগ্রহ বন্ধ করে দিয়েছে।

গত রোববার সকালে প্রাণ দুধের বেড়া সংগ্রহ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, খামারি ও দুধ ব্যবসায়ীরা ক্যান (৪০ লিটারের দুধের পাত্র) বোঝাই দুধ নিয়ে অপেক্ষা করছেন। তাঁরা জানান, কোনোরকম ঘোষণা ছাড়াই তারা দুই সপ্তাহ ধরে দুধ নেওয়া বন্ধ রেখেছে। প্রায় ৪ মণ দুধ নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকা সাঁথিয়ার সোনাতলা গ্রামের নিত্যগোপাল ঘোষ জানান, শনিবারে ১৬ জানুয়ারি তিনি এই কেন্দ্রে দুধ দিতে না পেরে বাজারে নিয়ে ১০ থেকে ১২ টাকা লিটার দরে দুধ বিক্রি করেছেন। বাকি দুধ থেকে শুধু ক্রীম তুলে নিয়ে সেই দুধ ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি বলেন, পৌণে এক মাসে আমার প্রায় ৩০ হাজার টাকা লস। এরম (এমন) চলতি থাকলি আমাগরে ঘরবাড়ি বেইচ্যা পথে বসা লাগবি।’

প্রাণ দুধের বেড়া সংগ্রহ ও শীতলীকরণ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এই কেন্দ্রে প্রতিদিন গড়ে আমরা ৫০ হাজার লিটার দুধ সংগ্রহ কের থাকি। কিন্তু অবরোধের কারণে গাড়ী চলাচল করতে না পারায় তা সম্ভব হচ্ছে না। এ ছাড়া মিল্ক ভিটাও দুধ কেনা কমিয়ে দেওয়ায় সেখানকার অনেক দুধ আমাদের এখানে আসছে বলে এমন অবস্থা দেখা দিয়েছে।’ আড়ং দুধের বেড়া সংগ্রহ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় সেখানে দুধ সংগ্রহ বন্ধ রয়েছে। আড়ং দুধের এলাকা ব্যবস্থাপক অরবিন্দ রুদ্র বলেন, ‘যানবাহনজনিত সমস্যার কারণে আমরা বেড়া কেন্দ্রে দুধ সংগ্রহ বন্ধ রেখেছি।

গত রোববার সাঁিথয়ার সোনাতলা গ্রামে গিয়ে খামারিদের হাহুতাশ লক্ষ্য করা গেছে। খামারিরা জানান, এই এলাকার খামারিরা সমিতির মাধ্যমে সরকারি দুগ্ধ সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠান মিল্ক ভিটায় দুধ সরবরাহ করে থাকেন। কিন্তু মিল্ক ভিটা প্রতি সপ্তাহেই একাধিক দিন দুধ সংগ্রহ বন্ধ রাখছে।

চরাচিথুলিয়া পূর্বপাড়া প্রাথমিক দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপক মোবারক হোসেন বলেন, ‘মিল্ক ভিটা গত ৭ দিন ধরে মিল্কভিটা দুধ নেয় নাই। ফলে বাজারে সেই দুধ আমরা ১০ থেকে ১২ টাকা লিটার দামে বেচতে বাধ্য হইছি।

মিল্ক ভিটার উপ-মহাব্যবস্থাপক ড. খন্দকার মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘দুধ সংগ্রহ বন্ধ রাখার বিষয়টি ঠিক নয়। গত কয়েকদিন বিভিন্ন কারণে দুধ সংগ্রহ বন্ধ রেখেছিলাম। এখন সেই অবস্থা উত্তরণের চেষ্টা চলছে।

তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর 

এবার ক্রিকেটেও চালু হচ্ছে লাল কার্ড !

ক্রিকেটকে বলা হয় জেন্টেলম্যানস গেমস। অর্থাৎ ভদ্র লোকের খেলা। আর সেই খেলাই কি না গত ৬ মাস ধরে কলুষিত হচ্ছে! কেউ কেউ হয়তো এই সময়টাকে ক্রিকেটের ‘কালো অধ্যায়’ বলে আখ্যা দিতে চাইছেন। কেননা ভদ্র লোকের খেলায় অভদ্রতার ঠাঁই নেই।
আর সেই কলুষিত অধ্যায়ের সঙ্গে যে নামগুলো জড়িয়ে পড়ছে তাদের শাস্তি হওয়া উচিত বলে মনে করছেন ক্রিকেটবোদ্ধারা। তাদের দলে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন ওপেনার মার্টিন ক্রো। আছেন বর্তমান ক্রিকেটার জো রুটও।
তাহলে দোষীদের কী শাস্তি হতে পারে? মার্টিন ক্রো মনে করেন, ফুটবলের মতো ক্রিকেটেও হলুদ কার্ড থাকা উচিত। প্রয়োজন হলে লাল কার্ডের ব্যবস্থা রাখা হোক!

কয়েকদিন আগে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার চার ম্যাচ টেস্ট সিরিজ শেষ হলো। কিন্তু সিরিজটা যতটা না খেলার জন্য স্মরণীয়, তার চেয়ে বেশি স্মরণে থাকবে ক্রিকেটারদের অশালীন আচরণের জন্য!
এর মধ্যে কোনো এক ম্যাচে ইনিংস বাই ইনিংস বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন ভারতের বিরাট কোহলি ও অস্ট্রেলিয়ার মিচেল জনসন। এই বিতর্কে পিছিয়ে ছিলেন না ডেভিড ওয়ার্নার কিংবা রবিচন্দ্রন অশ্বিনরাও।
টেস্টের গণ্ডি পেরিয়ে ওয়ানডেও সেই বদভ্যাস রয়ে গেছে খেলোয়াড়দের। ক্রিকেটীয় আচরণ রেখে তারা জড়িয়ে পড়ছেন বিতর্কিত কাণ্ডে। অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজের ভারতের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়। ওই ম্যাচে বিতর্ক জন্ম দেন ডেভিড ওয়ার্নার ও রোহিত শর্মা।
ভারতের ব্যাটিং চলাকালে ২৩তম ওভারের খেলা শেষে পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ওয়ার্নারকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলছিলেন রোহিত। আর তাতে মেজাজ হারিয়ে ভারতীয় এই ব্যাটসম্যানের ওপর চটেছেন তিনি!
রোহিতকে নাকি তার বক্তব্য ইংরেজিতে বলতে বলেছিলেন ওয়ার্নার। তবে বিষয়টি ক্রিকেটীয় আচরণ বলে মনে হয়নি। তাই ইংরেজি-কাণ্ডে ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা গুনতে হয়েছে ওয়ার্নারকে।
এমন আচরণ যে ক্রিকেটে কলঙ্ক ডেকে আনছে, এতে সন্দেহ নেই কারোরই। স্লেজিংয়ের জন্য আরো বড় সাজা চান নিউজিল্যান্ডের ক্রিংবদন্তি মার্টিন ক্রো, ‘ যখন এই স্লেজিংয়ের কারণে ক্রিকেট ভালোভাবে কলুষিত হবে তখনই টনক নড়বে কর্তাদের। সেদিন আর বোধ হয় দূরে নয়, যেদিন দেখা যাবে দোষীকে শাস্তিস্বরূপ হলুদ কার্ডের ব্যবস্থা থাকছে। দুবার কেউ হলুদ কার্ড দেখলে সেটা লাল কার্ডে পরিণত হবে। শাস্তি হিসেবে তাকে ছয় মাস নিষিদ্ধও করা হতে পারে।’

তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর 
,

জেনে নিন, ইতিহাসের সেরা পাঁচ উইকেটরক্ষকের সম্পর্কে


ক্রিকেটের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং বিভাগ হলো উইকেটরক্ষক। একদিকে যেমন বোলারের বল তালুবন্দি করে রান বাঁচাতে হয়, আরেকদিকে পাখির চোখে তাকিয়ে থাকতে হয় কখন ব্যাটসম্যান কাঙ্ক্ষিত পপিং ক্রিজের বাইরে পা ফেলবেন আর সাথে সাথে তিনি ভাঙবেন উইকেট। সাথে সাথে ব্যাটসম্যানকে ক্যাঁচ আউট করার কাজতো রয়েছেই। তবে এসবকিছুর মধ্যেও এই কঠিন কাজকেই যারা অন্য এক কাতারে নিয়ে ফেলেছেন, তারাই সেরা।




আজ ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা পাঁচ উইকেটরক্ষককে আনা হয়েছে যারা কিনা নিজেদের মেধা, আক্রমণাত্মক ভঙ্গির কারণে সেরাদের সেরা হয়েছেন।


১। এডাম গিলক্রিস্ট(অস্ট্রেলিয়া)

জাতীয় দলে ১৯৯৬-২০০৮ পর্যন্ত মোট ১২ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে গিলি উইকেটের পিছনে দাঁড়িয়ে ফিরিয়েছেন ৯০০ ব্যাটসম্যানকে!


২।মার্ক বাউচার (দক্ষিণ আফ্রিকা)

প্রোটিয়া এই ক্রিকেটার টেস্ট ক্রিকেটে সর্বপ্রথম ৪০০ ডিসমিসালকারী উইকেটরক্ষক। এছাড়া তার আমলে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের প্রথম পছন্দই ছিলেন তিনি।


৩।মহেন্দ্র সিং ধোনি(ভারত)

উইকেটের পিছনে ধোনির রেকর্ড অসাসধারণ। তার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো, তিনি ব্যাট হাতেও সফল। এখন পর্যন্ত তিনি টেস্ট ক্রিকেটে ২৪৮, ওয়ানডেতে ২৮৭ এবং টি-২০ ম্যাচে মোট ২৯টি ডিসমিসাল করেছেন।


৪। কুমার সাঙ্গাকারা(শ্রীলংকা)

শ্রীলংকান এই উইকেটরক্ষক একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৮১টি স্ট্যাম্পিং করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন। তিনি মোট ৬০০ ডিসমিসালের মালিক। শুধু তাই নয়, ওয়ানডেতে ৩৮২ ডিসমিসালের মাধ্যমে তিনি তৃতীয় সর্বোচ্চ ডিসমিসালকারী উইকেটরক্ষক।


৫। ব্রেন্ডন ম্যাককালাম(নিউজিল্যান্ড)

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের উইকেটরক্ষক ম্যাককালাম ব্যাট হাতে ও উইকেটের পিছনে দারুণ সফল। এই মুহুর্তে তিনি দলের তিন ফরম্যাটেরই অধিনায়কত্ব করছেন। এখন পর্যন্ত তিনি টেস্টে উইকেটের পিছনে থেকে ১৬৮টি ক্যাচ এবং ১১টি স্ট্যাম্পিং করেছেন। অন্যদিকে ওয়ানডেতে তার তালুবন্দী হয়েছে ২২৭টি ক্যাচ এবং স্ট্যাম্পিং করেছেন ১১বার জার মাধ্যমে তিনি উঠে গিয়েছেন রেকর্ডবুকে।

তথ্য সুত্রঃ সময়ের কন্ঠস্বর 

 
Tricks and Tips