যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক
ওবামা সম্প্রতি ভারত
সফরে এনেছেন তাঁর বিখ্যাত
লিমুজিন ‘দ্য বিস্টকে’। দ্য বিস্টের
মতো বিশেষ ব্যক্তিদের সুরক্ষার
জন্য ব্যবহৃত কয়েকটি বিশেষ
গাড়ি নিয়ে একটি প্রতিবেদন
প্রকাশ করেছে এনডিটিভি। বারাক
ওবামার এই
গাড়িটি বিষয়ে বিস্তারিত
এখানে তুলে ধরা হল:
মার্কিন প্রেসিডেন্টের গাড়ি‘দ্য
বিস্ট’
প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বাহন
যে গাড়িটি সে সম্পর্কে মোটামুটি
জানেন।
এটি একটি কালো ক্যাডিলাক
গাড়ি। এই সুরক্ষিত ও বিলাসবহুল
গাড়িটি শুধু বুলেটপ্রুফ
বা গুলি প্রতিরোধীই নয়; মিসাইল
কিংবা গ্রেনেডের আঘাতেও
গাড়িটির আরোহীর
কোনো ক্ষতি হবে না। শত্রুর
হামলা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয়
প্রতিরোধব্যবস্থা ছাড়াও
এতে রয়েছে প্রতিপক্ষের
পাল্টা জবাব দেওয়ার মতো আধুনিক
আগ্নেয়াস্ত্র। এতে একই
সঙ্গে আরামদায়কভাবে ভ্রমণের
আয়োজনের
পাশাপাশি রয়েছে আধুনিক
যোগাযোগব্যবস্থা।
‘দ্য বিস্ট’ নামে সুপরিচিত এ
গাড়িটি যুক্তরাষ্ট্রের
প্রেসিডেন্টের সরকারি যান।
পদাধিকারবলে বর্তমান
প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এখন
ব্যবহার করছেন এটি। গাড়িটির কাচ
এত পুরু যে রকেটচালিত গ্রেনেডও
এটি ভেদ করতে পারবে না।
গুলিপ্রতিরোধী দরজাগুলো ১০
ইঞ্চি পুরু।
প্রয়োজনে লোকজনকে ছত্রভঙ্গ
করে দিতে এই
গাড়িতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ারও
ব্যবস্থা রয়েছে। গাড়িটির সর্বোচ্চ
গতি হচ্ছে ঘণ্টায় ১০০ মাইল। গাড়ির
চালক মার্কিন কেন্দ্রীয়
গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর একজন
সুপ্রশিক্ষিত গোয়েন্দা। এর
চাকাগুলো এমনভাবে তৈরি যে বোম
এর টায়ার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও
এটি চলবে।
সর্বাধুনিক যোগাযোগপ্রযুক্তির
মাধ্যমে ওই গাড়িতে এমন
ব্যবস্থা রাখা হয়েছে যে ওবামা গা
পেছনের আসনে বসে তাঁর
স্বাভাবিক দায়িত্ব পালন
করতে পারেন। তারবিহীন
ইন্টারনেট ব্যবস্থা ও স্যাটেলাইট
ফোনের
মাধ্যমে নিমেষে তিনি শীর্ষস্থানী
কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ
করতে পারেন। গাড়িতে ওবামার
জন্য বিনোদনের ব্যবস্থাও রয়েছে।
১৮ ফুট দৈর্ঘ্য, ৫ ফুট ১০
ইঞ্চি উচ্চতাসম্পন্ন গাড়িটির ওজন
আট টন। এতে আছে বিশেষ
অক্সিজেন ট্যাংকার। এ ছাড়াও
নাইট ভিশন ক্যামেরা, শটগানের
মতো আগ্নেয়াস্ত্র আছে এতে। এ
ছাড়াও গাড়িতে রয়েছে এর
আরোহীদের জন্য দরকারি রক্তের
সরবরাহ।
January 25, 2015
Breaking News, International
রকেটচালিত গ্রেনেড থেকেও সুরক্ষিত ওবামার গাড়ি!
Believe It or Not, Full New, International, New robots, Science and technology
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের সামরিক গবেষকরা এমন একটি ট্যাঙ্ক তৈরির পরিকল্পনা করেছেন যা অদৃশ্য থেকেই গোলাবর্ষণ করতে পারবে। জানা গেছে, অদৃশ্য এই ট্যাঙ্ক আগামী বছর পাঁচেকের মধ্যেই নেমে পড়বে যুদ্ধক্ষেত্রেও।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, অস্ত্রসজ্জিত এই ট্যাঙ্কে ব্যবহার করা হবে ‘ই-ক্যামোফ্লেজ’ নামের প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিতে ট্যাঙ্কে ব্যবহৃত হবে ‘ইলেকট্রনিক ইঙ্ক’ যা ট্যাঙ্কটিকে চোখের আড়ালে রাখবে।
জানা গেছে, উচ্চপ্রযুক্তির সেন্সর লাগানো থাকবে এই ট্যাঙ্কে যা চারপাশের পরিবেশ থেকে ছবি ধারণ করে আক্রমণ করতে পারবে। সমুদ্রের নিচে থাকা স্কুইড যেমন ছদ্মবেশ ধারণ করে, বা অদৃশ্য থেকেই হঠাৎ আক্রমণ করে বসে ঠিক এমনটিই করবে অদৃশ্য ট্যাঙ্কও।
যুক্তরাজ্যের ডিফেন্স কোম্পানি বিএই সিস্টেমসের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্যের সেনাবাহিনী আফগানিস্তানে এই ট্যাঙ্ক ব্যবহার করবে। এই ট্যাঙ্ক মানুষ চালিত বা মানুষ ছাড়াই চলবে। এতে বিভিন্ন ধরনের মারণাস্ত্রও থাকবে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ট্যাঙ্কে থাকবে পয়েন্টার, বিয়ারার, রেইথ, সেফগার্ড, চার্জার, রেইডার এবং অ্যাটলাস অপশন। প্রতিটি অপশনই অদৃশ্য এই ট্যাঙ্ককে শত্রুর চোখের আড়ালে রেখে ওঁত পেতে থাকবে আক্রমণের জন্য।
তথ্য সূত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর
অদৃশ্য থেকেই যুদ্ধে নামবে ট্যাঙ্ক

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের সামরিক গবেষকরা এমন একটি ট্যাঙ্ক তৈরির পরিকল্পনা করেছেন যা অদৃশ্য থেকেই গোলাবর্ষণ করতে পারবে। জানা গেছে, অদৃশ্য এই ট্যাঙ্ক আগামী বছর পাঁচেকের মধ্যেই নেমে পড়বে যুদ্ধক্ষেত্রেও।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, অস্ত্রসজ্জিত এই ট্যাঙ্কে ব্যবহার করা হবে ‘ই-ক্যামোফ্লেজ’ নামের প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিতে ট্যাঙ্কে ব্যবহৃত হবে ‘ইলেকট্রনিক ইঙ্ক’ যা ট্যাঙ্কটিকে চোখের আড়ালে রাখবে।
জানা গেছে, উচ্চপ্রযুক্তির সেন্সর লাগানো থাকবে এই ট্যাঙ্কে যা চারপাশের পরিবেশ থেকে ছবি ধারণ করে আক্রমণ করতে পারবে। সমুদ্রের নিচে থাকা স্কুইড যেমন ছদ্মবেশ ধারণ করে, বা অদৃশ্য থেকেই হঠাৎ আক্রমণ করে বসে ঠিক এমনটিই করবে অদৃশ্য ট্যাঙ্কও।
যুক্তরাজ্যের ডিফেন্স কোম্পানি বিএই সিস্টেমসের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্যের সেনাবাহিনী আফগানিস্তানে এই ট্যাঙ্ক ব্যবহার করবে। এই ট্যাঙ্ক মানুষ চালিত বা মানুষ ছাড়াই চলবে। এতে বিভিন্ন ধরনের মারণাস্ত্রও থাকবে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ট্যাঙ্কে থাকবে পয়েন্টার, বিয়ারার, রেইথ, সেফগার্ড, চার্জার, রেইডার এবং অ্যাটলাস অপশন। প্রতিটি অপশনই অদৃশ্য এই ট্যাঙ্ককে শত্রুর চোখের আড়ালে রেখে ওঁত পেতে থাকবে আক্রমণের জন্য।
তথ্য সূত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর
Breaking News, Extra knowledge, Full New, National, Software and App
নাশকতাকারীদের ধরিয়ে দিবে মোবাইল অ্যাপস
চলমান সহিংস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রযুক্তির দ্বারস্থ হয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। নাশকতাকারীদের ধরতে সাধারণ মানুষের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা পেতে একটি বিশেষ অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তিনি।
শনিবার সহিংসতায় অগ্নিদগ্ধদের দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিট ঘুরে দেখা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান পলক।
নতুন তৈরি হওয়া এই অ্যাপসটির নাম ‘ক্রাউডসোর্স’। গুগল প্লে-স্টোর থেকে যে কেউ তার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এটি ইনস্টল করে নিতে পারবেন। এছাড়া http://www.crowdsourcebd.com ঠিকানায় গেলেও হবে। সেখানে একটি ফরম পাওয়া যাবে।
এই ফরমে সড়ক দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড, ইভটিজিং, মাদক, ফরমালিন, সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং সাইবার ক্রাইম সম্পর্কিথ তথ্য ও ছবি আপলোড করা যাবে।
এ বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আইসিটি ডিভিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাসের জানান, ক্রাউসোর্স একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন যার মাধ্যমে যে কোনো অসঙ্গতির কথা ছবিসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের দায়িত্ব প্রাপ্ত সংস্থাকে জানানো যাবে। অ্যাপসে তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে।
আবু নাসের জানান, অ্যাপসটি উন্নয়নের জন্য ইতোমধ্যে একদল প্রযুক্তিবিদ কাজ করে যাচ্ছেন।
তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর
Extra knowledge, Full New, Science and technology, Software and App
ফেসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড করুন কোন সফটওয়্যার ছাড়াই
টেক ডেস্ক : ফেসবুকের ভিডিও সফটওয়্যার বা টুলসের সাহায্য ছাড়াই পিসিতে ডাউনলোড করতে পারবেন। ধাপগুলো অনুসরণ করে ডাউনলোড করতে পারবেন ফেসবুক ভিভিও।
প্রথমে যে ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান সেটিতে ক্লিক করুন। ভিডিওর উপর মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Copy Link Address অপশনটি ক্লিক করুন। এবার কপি করা লিংকটি ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে পেস্ট করুন। আগেই এন্টার করে ভিজিট করবেন না।
লিংকটা দেখতে হবে এমন: https://www.facebook.com/video/video.php?v=234997766607194 এখন লিংকটাতে এর পরিবর্তে লিখুন।
উপরের লিংকটা https://m.facebook.com/video/video.php?v=234997766607194
এবার পরিবর্তিত লিংকটাতে ঢুকুন। দেখবেন ভিডিওটি মোবাইল ভার্সন আকারে বের হবে। আগের মতো এবারও ভিডিওর ডান পাশে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Save Video As অপশন ক্লিক করুন। সবশেষে ভিডিওটি ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে।
Extra knowledge, Letest News, Science and technology
এখন মহাকাশ থেকে আসবে ইন্টারনেট! সুবিধা পাবে আরও ৩০০ কোটি মানুষ
দীর্ঘদিন ধরেই মহাকাশ-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন এলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স। এবার এই প্রতিষ্ঠানে ১০০ কোটি মর্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে গুগল ও ফিডেলটি। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে স্পেস এক্সের ১০ শতাংশের মালিকানা পেয়ে গেল গুগল ও ফিডেলটি।
এত বড় বিনিয়োগ পাওয়ার পর কী করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনার কথা জানায়নি স্পেস এক্স। তবে প্রযুক্তি-বিশ্লেষকেরা বলছেন, স্পেস এক্সের প্রতিষ্ঠাতা এলন মাস্ক আগামী ১২ বছরের মধ্যেই মঙ্গল গ্রহে বসতি স্থাপন করতে চান। সেখানে একটি শহর গড়ে তোলার লক্ষ্যে স্পেস এক্স কাজ করছে। এ ছাড়া স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার লক্ষ্যেও কাজ করছে এলন মাস্কের প্রতিষ্ঠানটি।
গুগল হঠাৎ কেন মহাকাশ প্রকল্পে এত বিনিয়োগ করছে? প্রযুক্তি-বিশ্লেষকদের মতে, স্পেস এক্সে বিনিয়োগ ছাড়াও প্রজেক্ট লুন নামে বেলুনের মাধ্যমে মহাকাশ থেকে ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আলাদা একটি প্রকল্প পরিচালনা করছে গুগল। প্রতিষ্ঠানটির দুই কর্ণধার ল্যারি পেজ ও সের্গেই বিন, এ দুজনেরই মহাকাশ প্রকল্প নিয়ে উৎসাহ বেশি। এ প্রকল্পে গুগলের লাভের পরিমাণও বেশি হবে। কারণ, মানুষ যত বেশি অনলাইনমুখী হবে, ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন ও ডিজিটাল অ্যাড নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে গুগলের মুনাফা করার সম্ভাবনা তত বেড়ে যাবে।
এক বিবৃতিতে গুগল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘মহাকাশভিত্তিক বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন যেমন ইমেজিং স্যাটেলাইটের মতো প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষ আরও সহজে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তাদের হাতের নাগালে আসবে। এ কারণে স্পেস এক্সে বিনিয়োগ করতে পেরে গুগল রোমাঞ্চিত। স্পেস এক্স মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করবে।’
স্পেস এক্সের সঙ্গে চুক্তিতে গুগলের ডোনাল্ড হ্যারিসন স্পেস এক্সের পরিচালনা বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন।
বর্তমানে স্পেস এক্সের মহাকাশযান ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে রসদ সরবরাহ করা হচ্ছে।
স্পেস এক্স ছাড়াও সম্প্রতি মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর আরেকটি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে ওয়ানওয়েব নামের একটি কৃত্রিম উপগ্রহ নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি এই প্রতিষ্ঠানটিতে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রিচার্ড ব্র্যানসনের ভার্জিন গ্রুপ এবং মার্কিন চিপ নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান কোয়ালকম।
মহাকাশ থেকে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়ার প্রকল্প এটি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সারা বিশ্বে ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা দিতে ৬৪৮টি কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ভার্জিন ও কোয়ালকম। বিশ্বের ৩০০ কোটি মানুষ এখনো ইন্টারনেট সুবিধার বাইরে। বিশ্বের প্রতিটি মানুষের কাছে সাশ্রয়ী খরচে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে এই প্রকল্প নিয়ে কাজ চলছে।
মহাকাশে এই কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর জন্য মহাকাশযান নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান ভার্জিন বিশেষ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ সেবা লাঞ্চারওয়ান তৈরি করছে। এ ছাড়া মহাকাশে পর্যটক পাঠানোর জন্য স্পেসস্পেস টু নামে একটি যান তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি।
মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ বসাতে একসঙ্গে কাজ করছে স্পেস এক্স, গুগল ও ফিডেলটিওয়ার্ল্ডভু স্যাটেলাইট নামের প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ওয়ানওয়েব নামে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর বিষয়ে সম্ভাব্য নির্মাতা, সরবরাহকারীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের প্রস্তাব বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওয়ানওয়েবের প্রধান নির্বাহী গ্রেগ ওয়েলার।
মহাকাশে এই কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠাতে ১৫০ কোটি থেকে ২০০ কোটি মার্কিন ডলার খরচ হবে। বিশ্বজুড়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট ও টেলিফোন সেবা দেওয়াই এর কাজ হবে।
ওয়ানওয়েবের তৈরি এই কৃত্রিম উপগ্রহগুলোর একেকটির ওজন হবে ১৩৬ কেজি, যা পৃথিবী থেকে ৭৫০ মাইল দূরে অবস্থান করবে।
ওয়ানওয়েব কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওয়ানওয়েব সিস্টেম বিশ্বজুড়ে মোবাইল অপারেটরদের জন্য নেটওয়ার্ক সেবা দেবে, যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছেও মোবাইল সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।
ভার্জিন গ্যালাকটিকের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড ব্র্যানসন বলেন, ‘যেসব এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া অসম্ভব বলে মনে করা হতো, সেই ৩০০ কোটি মানুষের কাছেও পৌঁছে যাবে ইন্টারনেট।
এত বড় বিনিয়োগ পাওয়ার পর কী করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনার কথা জানায়নি স্পেস এক্স। তবে প্রযুক্তি-বিশ্লেষকেরা বলছেন, স্পেস এক্সের প্রতিষ্ঠাতা এলন মাস্ক আগামী ১২ বছরের মধ্যেই মঙ্গল গ্রহে বসতি স্থাপন করতে চান। সেখানে একটি শহর গড়ে তোলার লক্ষ্যে স্পেস এক্স কাজ করছে। এ ছাড়া স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার লক্ষ্যেও কাজ করছে এলন মাস্কের প্রতিষ্ঠানটি।
গুগল হঠাৎ কেন মহাকাশ প্রকল্পে এত বিনিয়োগ করছে? প্রযুক্তি-বিশ্লেষকদের মতে, স্পেস এক্সে বিনিয়োগ ছাড়াও প্রজেক্ট লুন নামে বেলুনের মাধ্যমে মহাকাশ থেকে ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আলাদা একটি প্রকল্প পরিচালনা করছে গুগল। প্রতিষ্ঠানটির দুই কর্ণধার ল্যারি পেজ ও সের্গেই বিন, এ দুজনেরই মহাকাশ প্রকল্প নিয়ে উৎসাহ বেশি। এ প্রকল্পে গুগলের লাভের পরিমাণও বেশি হবে। কারণ, মানুষ যত বেশি অনলাইনমুখী হবে, ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন ও ডিজিটাল অ্যাড নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে গুগলের মুনাফা করার সম্ভাবনা তত বেড়ে যাবে।
এক বিবৃতিতে গুগল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘মহাকাশভিত্তিক বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন যেমন ইমেজিং স্যাটেলাইটের মতো প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষ আরও সহজে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তাদের হাতের নাগালে আসবে। এ কারণে স্পেস এক্সে বিনিয়োগ করতে পেরে গুগল রোমাঞ্চিত। স্পেস এক্স মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করবে।’
স্পেস এক্সের সঙ্গে চুক্তিতে গুগলের ডোনাল্ড হ্যারিসন স্পেস এক্সের পরিচালনা বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন।
বর্তমানে স্পেস এক্সের মহাকাশযান ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে রসদ সরবরাহ করা হচ্ছে।
স্পেস এক্স ছাড়াও সম্প্রতি মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর আরেকটি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে ওয়ানওয়েব নামের একটি কৃত্রিম উপগ্রহ নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি এই প্রতিষ্ঠানটিতে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রিচার্ড ব্র্যানসনের ভার্জিন গ্রুপ এবং মার্কিন চিপ নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান কোয়ালকম।
মহাকাশ থেকে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়ার প্রকল্প এটি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সারা বিশ্বে ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা দিতে ৬৪৮টি কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ভার্জিন ও কোয়ালকম। বিশ্বের ৩০০ কোটি মানুষ এখনো ইন্টারনেট সুবিধার বাইরে। বিশ্বের প্রতিটি মানুষের কাছে সাশ্রয়ী খরচে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে এই প্রকল্প নিয়ে কাজ চলছে।
মহাকাশে এই কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর জন্য মহাকাশযান নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান ভার্জিন বিশেষ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ সেবা লাঞ্চারওয়ান তৈরি করছে। এ ছাড়া মহাকাশে পর্যটক পাঠানোর জন্য স্পেসস্পেস টু নামে একটি যান তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি।
মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ বসাতে একসঙ্গে কাজ করছে স্পেস এক্স, গুগল ও ফিডেলটিওয়ার্ল্ডভু স্যাটেলাইট নামের প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ওয়ানওয়েব নামে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর বিষয়ে সম্ভাব্য নির্মাতা, সরবরাহকারীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের প্রস্তাব বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওয়ানওয়েবের প্রধান নির্বাহী গ্রেগ ওয়েলার।
মহাকাশে এই কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠাতে ১৫০ কোটি থেকে ২০০ কোটি মার্কিন ডলার খরচ হবে। বিশ্বজুড়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট ও টেলিফোন সেবা দেওয়াই এর কাজ হবে।
ওয়ানওয়েবের তৈরি এই কৃত্রিম উপগ্রহগুলোর একেকটির ওজন হবে ১৩৬ কেজি, যা পৃথিবী থেকে ৭৫০ মাইল দূরে অবস্থান করবে।
ওয়ানওয়েব কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওয়ানওয়েব সিস্টেম বিশ্বজুড়ে মোবাইল অপারেটরদের জন্য নেটওয়ার্ক সেবা দেবে, যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছেও মোবাইল সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।
ভার্জিন গ্যালাকটিকের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড ব্র্যানসন বলেন, ‘যেসব এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া অসম্ভব বলে মনে করা হতো, সেই ৩০০ কোটি মানুষের কাছেও পৌঁছে যাবে ইন্টারনেট।
তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর
Medical Tips
কলার খোসার ৭টি অভিনব ব্যবহার
কলা অন্যান্য ফলের তুলনায় দামে সস্তা হলেও পুষ্টিগুণের দিক দিয়ে মোটেও পিছিয়ে নেই। বরং অধিক পটাশিয়ামযুক্ত বলে রক্তচাপ ও হৃদরোগের রোগীদের জন্য খুবই উপকারী একটি ফল। কলা খেয়ে কলার খোসাটা আমরা ফেলে দিলেও এই ফেলনা জিনিসটি কিন্তু লাগে অনেক কাজে। জেনে নিন পাকা এবং কাঁচা কলার খোসার অভিনব কিছু ব্যবহার।
১. ব্রণ দূর করতে
ছোট ছোট ব্রণকে তাত্ক্ষণিকভাবে দূর করতে চান? সাহায্য করবে কলার খোসা। কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে ব্রণের ওপর ঘষতে থাকুন। কিছুক্ষণ পর দেখবেন ব্রণ কোথায় মিলিয়ে গেছে!
২.মশা বা পোকামাকড়ের কামড়
মশা বা পোকামাকড়ের কামড়ের ফলে ত্বকে এক ধরনে জ্বলুনি বা চুলকানি হয়। এই জ্বলুনি বা চুলকানি থেকে তাত্ক্ষণিক রক্ষা পেতে চাইলে কলার খোসার ভেতরের দিকটা আক্রান্ত স্থানে ঘষুন। দেখবেন জ্বলুনি বা চুলকানি একদমই কমে গিয়েছে।
৩. দাঁত সাদা করতে
ঘরোয়া উপায়ে দাঁত সাদা করতে চাইলে ব্যবহার করতে পারেন কলার খোসা। কলার খোসার ভেতরের দিকটা দাঁতে ঘষতে থাকুন ২ মিনিট ধরে। এরপর ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর আপনার নিয়মিত টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে ফেলুন। মাত্র ৭ দিনেই দাঁত হয়ে উঠবে ঝকঝকে সাদা।
৪. খাবার হিসেবে
কাঁচা কলা খাওয়া হয় সবজি হিসেবে। এর ফেলা দেয়া খোসাও খাওয়া যায় খাবার হিসেবে। কাঁচা কলার খোসার ওপরের আঁশ ফেলে দিয়ে কুচি করে নিন। এরপর এটা ভাঁপিয়ে নিন। এর সাথে শুকনো মরিচ ভাজা, পেঁয়াজ, রসুন ও সরিষার তেল দিয়ে বেটে নিন। হয়ে গেল চমত্কার ভর্তা। চাইলে এর সাথে ছোট চিংড়ি মাছও যোগ করতে পারেন।
৫. জুতা চকচকে করে তুলতে
হাতের কাছে শু পলিশ নেই অথচ চকচকে করে তুলতে হবে জুতা? শু পলিশের পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন কলার খোসা। প্রথমে জুতায় ময়লা লেগে থাকলে তা পরিষ্কার করে নিন। এবার পাকা কলার খোসার ভেতরের অংশটা দিয়ে জুতা ওপরে ঘষুন অন্তত ৫ মিনিট। নিজেই দেখবেন যে চকচকে হয়ে উঠতে শুরু করেছে জুতা। এবার একটি পাতলা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে জুতা জোড়া ভালো করে মুছে নিন।
৬. আঁচিল দূর করতে
অনেকেই শরীরে অতিরিক্ত আঁচিল নিয়ে অনেক বিব্রত থাকেন। কলার খোসা এই আঁচিল দূর করতেও সাহায্য করতে পারে। কলার খোসার ভেতরের অংশ আঁচিলের ওপর রাখুন। নিয়মিত ব্যবহারে আঁচিল শুকিয়ে পড়ে যাবে। তবে ৭ দিনের মধ্যে এ পদ্ধতিতে আঁচিল পড়ে না গেলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
৭. সিডি বা ডিভিডির স্ক্র্যাচ দূর করতে
সিডি বা ডিভিডিতে কিছুদিনের মধ্যেই স্ক্র্যাচ পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। এতে সিডি চলতে চায় না, ডিভিডির ভিডিও আটকে আটকে যায়। এ সমস্যা সমাধান করতে পারে কলার খোসা। কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে সিডি বা ডিভিডিটি ভালো করে ঘষে নিন। দেখবেন স্ক্র্যাচ একেবারেই চলে গিয়েছে। এবং সিডি বা ডিভিডিও চলবে আগের মতোই।
১. ব্রণ দূর করতে
ছোট ছোট ব্রণকে তাত্ক্ষণিকভাবে দূর করতে চান? সাহায্য করবে কলার খোসা। কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে ব্রণের ওপর ঘষতে থাকুন। কিছুক্ষণ পর দেখবেন ব্রণ কোথায় মিলিয়ে গেছে!
২.মশা বা পোকামাকড়ের কামড়
মশা বা পোকামাকড়ের কামড়ের ফলে ত্বকে এক ধরনে জ্বলুনি বা চুলকানি হয়। এই জ্বলুনি বা চুলকানি থেকে তাত্ক্ষণিক রক্ষা পেতে চাইলে কলার খোসার ভেতরের দিকটা আক্রান্ত স্থানে ঘষুন। দেখবেন জ্বলুনি বা চুলকানি একদমই কমে গিয়েছে।
৩. দাঁত সাদা করতে
ঘরোয়া উপায়ে দাঁত সাদা করতে চাইলে ব্যবহার করতে পারেন কলার খোসা। কলার খোসার ভেতরের দিকটা দাঁতে ঘষতে থাকুন ২ মিনিট ধরে। এরপর ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর আপনার নিয়মিত টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে ফেলুন। মাত্র ৭ দিনেই দাঁত হয়ে উঠবে ঝকঝকে সাদা।
৪. খাবার হিসেবে
কাঁচা কলা খাওয়া হয় সবজি হিসেবে। এর ফেলা দেয়া খোসাও খাওয়া যায় খাবার হিসেবে। কাঁচা কলার খোসার ওপরের আঁশ ফেলে দিয়ে কুচি করে নিন। এরপর এটা ভাঁপিয়ে নিন। এর সাথে শুকনো মরিচ ভাজা, পেঁয়াজ, রসুন ও সরিষার তেল দিয়ে বেটে নিন। হয়ে গেল চমত্কার ভর্তা। চাইলে এর সাথে ছোট চিংড়ি মাছও যোগ করতে পারেন।
৫. জুতা চকচকে করে তুলতে
হাতের কাছে শু পলিশ নেই অথচ চকচকে করে তুলতে হবে জুতা? শু পলিশের পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন কলার খোসা। প্রথমে জুতায় ময়লা লেগে থাকলে তা পরিষ্কার করে নিন। এবার পাকা কলার খোসার ভেতরের অংশটা দিয়ে জুতা ওপরে ঘষুন অন্তত ৫ মিনিট। নিজেই দেখবেন যে চকচকে হয়ে উঠতে শুরু করেছে জুতা। এবার একটি পাতলা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে জুতা জোড়া ভালো করে মুছে নিন।
৬. আঁচিল দূর করতে
অনেকেই শরীরে অতিরিক্ত আঁচিল নিয়ে অনেক বিব্রত থাকেন। কলার খোসা এই আঁচিল দূর করতেও সাহায্য করতে পারে। কলার খোসার ভেতরের অংশ আঁচিলের ওপর রাখুন। নিয়মিত ব্যবহারে আঁচিল শুকিয়ে পড়ে যাবে। তবে ৭ দিনের মধ্যে এ পদ্ধতিতে আঁচিল পড়ে না গেলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
৭. সিডি বা ডিভিডির স্ক্র্যাচ দূর করতে
সিডি বা ডিভিডিতে কিছুদিনের মধ্যেই স্ক্র্যাচ পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। এতে সিডি চলতে চায় না, ডিভিডির ভিডিও আটকে আটকে যায়। এ সমস্যা সমাধান করতে পারে কলার খোসা। কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে সিডি বা ডিভিডিটি ভালো করে ঘষে নিন। দেখবেন স্ক্র্যাচ একেবারেই চলে গিয়েছে। এবং সিডি বা ডিভিডিও চলবে আগের মতোই।
তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর
Medical Tips
জেনে নিন, ঘুমের ওষুধের বিকল্প খাবার !
ঘুম নিয়ে অনেকেই বেশ সমস্যায় থাকেন। রাত হলে সময়মতো বিছানায় যান ঠিকই কিন্তু ঘুম আসে না কিছুতেই।
ঘুমের জন্য অপেক্ষা করতে করতে রাতের অর্ধেকটাই পার হয়ে যায় বিছানায় এপাশ ওপাশ ফিরে।
এমন অসহনীয় যন্ত্রণায় যারা আছেন তারা অনেকেই ঘুমানোর জন্য ঘুমের ওষুধের আশ্রয় নেন। কিন্তু ঘুমের ওষুধের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতাও শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
কিছু সাধারণ খাবার হতে পারে আপনার ঘুমের ওষুধের বিকল্প। এগুলোর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তাই ঘুম সমস্যার সমাধানের জন্য নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নেই খেতে পারেন এসব খাবার। জেনে নিন কিছু খাবার সম্পর্কে যেগুলো হতে পারে আপনার ঘুমের ওষুধের বিকল্প।
পাকা কলা
কলা খেলে রাতে ভালো ঘুম হয়। কলাকে ঘুমের ওষুদের বিকল্পও বলা যেতে পারে। কলায় আছে ম্যাগনেসিয়াম যা মাংসপেশীকে শিথিল করে। এছাড়াও কলা খেলে মেলাটোনিন ও সেরোটোনিন হরমোন নির্গত হয়ে শরীরে ঘুমের আবেশ নিয়ে আসে। তাই যাদের ঘুম হয় না তারা রাতের খাবারে কলা রাখতে পারেন।
হালকা গরম দুধ
হালকা গরম দুধ হতে পারে ঘুমের ওষুধের বিকল্প। অনেকেরই রাতের ঘুমে সমস্যা হয়। যারা রাতে ঠিক সময়ে ঘুমাতে পারছেন না কিংবা বিছানায় শুয়ে এপাশ ওপাশ করছেন তারা রাতে ঘুমানোর আগে হালকা গরম দুধ খেয়ে ঘুমাতে পারেন। দুধে আছে ট্রাইপটোফান ও এমিনো এসিড যা ঘুম ঘুম ভাব সৃষ্টি করে। এছাড়াও দুধের ক্যালসিয়াম মস্তিষ্কে ট্রাইপটোফান ব্যবহারে সহায়তা করে। এক গ্লাস দুধ খেলে আপনার মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায় এবং শরীর কিছুটা শিথিল হয়ে ঘুমে সহায়তা করে।
মধু
মস্তিষ্কে ওরেক্সিন নামের একটি নিউরোট্রান্সমিটার আছে যা মতিষ্ককে সচল রেখে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। রাতে ঘুমানোর আগে মধু খেলে মস্তিষ্কে গ্লুকোজ প্রবেশ করে এবং ওরেক্সিন উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কিছুক্ষণের জন্য যা আপনাকে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে সহায়তা করবে।
আলু
সেদ্ধ আলু বা রান্না করা আলু আপনার রাতের ঘুমের সহায়ক একটি খাবার হতে পারে। আলু খেলে ট্রাইপটোফানের ফলে সৃষ্ট হাই তোলায় ব্যাঘাত সৃষ্টিকারী এসিড নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আপনার মস্তিষ্ক বেশ দ্রুতই আপনাকে ঘুমিয়ে পড়তে সহায়তা করতে পারে।
ওটমিল
যারা ওজন সমস্যায় থাকেন তারা অনেকেই ওটমিল খেয়ে থাকেন। ওটমিলে আছে ঘুমে সহায়ক মেলাটোনিন। তাই রাতের খাবার হিসেবে ওটমিল খেলে একদিকে আপনার ওজনটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে, অন্য দিকে আপনার রাতের ঘুমটাও ভালো হবে।
বাদাম
রাতের ঘুমের জন্য আরেকটি উপকারী খাবার হলো বাদাম। যাদের রাতে ঘুমাতে সমস্যা হয় তারা প্রতিদিন রাতের খাবারে ১০/১২ টি বাদাম খেলে রাতের ঘুম ভালো হবে।
ঘুমের জন্য অপেক্ষা করতে করতে রাতের অর্ধেকটাই পার হয়ে যায় বিছানায় এপাশ ওপাশ ফিরে।
এমন অসহনীয় যন্ত্রণায় যারা আছেন তারা অনেকেই ঘুমানোর জন্য ঘুমের ওষুধের আশ্রয় নেন। কিন্তু ঘুমের ওষুধের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতাও শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
কিছু সাধারণ খাবার হতে পারে আপনার ঘুমের ওষুধের বিকল্প। এগুলোর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তাই ঘুম সমস্যার সমাধানের জন্য নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নেই খেতে পারেন এসব খাবার। জেনে নিন কিছু খাবার সম্পর্কে যেগুলো হতে পারে আপনার ঘুমের ওষুধের বিকল্প।
পাকা কলা
কলা খেলে রাতে ভালো ঘুম হয়। কলাকে ঘুমের ওষুদের বিকল্পও বলা যেতে পারে। কলায় আছে ম্যাগনেসিয়াম যা মাংসপেশীকে শিথিল করে। এছাড়াও কলা খেলে মেলাটোনিন ও সেরোটোনিন হরমোন নির্গত হয়ে শরীরে ঘুমের আবেশ নিয়ে আসে। তাই যাদের ঘুম হয় না তারা রাতের খাবারে কলা রাখতে পারেন।
হালকা গরম দুধ
হালকা গরম দুধ হতে পারে ঘুমের ওষুধের বিকল্প। অনেকেরই রাতের ঘুমে সমস্যা হয়। যারা রাতে ঠিক সময়ে ঘুমাতে পারছেন না কিংবা বিছানায় শুয়ে এপাশ ওপাশ করছেন তারা রাতে ঘুমানোর আগে হালকা গরম দুধ খেয়ে ঘুমাতে পারেন। দুধে আছে ট্রাইপটোফান ও এমিনো এসিড যা ঘুম ঘুম ভাব সৃষ্টি করে। এছাড়াও দুধের ক্যালসিয়াম মস্তিষ্কে ট্রাইপটোফান ব্যবহারে সহায়তা করে। এক গ্লাস দুধ খেলে আপনার মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায় এবং শরীর কিছুটা শিথিল হয়ে ঘুমে সহায়তা করে।
মধু
মস্তিষ্কে ওরেক্সিন নামের একটি নিউরোট্রান্সমিটার আছে যা মতিষ্ককে সচল রেখে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। রাতে ঘুমানোর আগে মধু খেলে মস্তিষ্কে গ্লুকোজ প্রবেশ করে এবং ওরেক্সিন উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কিছুক্ষণের জন্য যা আপনাকে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে সহায়তা করবে।
আলু
সেদ্ধ আলু বা রান্না করা আলু আপনার রাতের ঘুমের সহায়ক একটি খাবার হতে পারে। আলু খেলে ট্রাইপটোফানের ফলে সৃষ্ট হাই তোলায় ব্যাঘাত সৃষ্টিকারী এসিড নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আপনার মস্তিষ্ক বেশ দ্রুতই আপনাকে ঘুমিয়ে পড়তে সহায়তা করতে পারে।
ওটমিল
যারা ওজন সমস্যায় থাকেন তারা অনেকেই ওটমিল খেয়ে থাকেন। ওটমিলে আছে ঘুমে সহায়ক মেলাটোনিন। তাই রাতের খাবার হিসেবে ওটমিল খেলে একদিকে আপনার ওজনটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে, অন্য দিকে আপনার রাতের ঘুমটাও ভালো হবে।
বাদাম
রাতের ঘুমের জন্য আরেকটি উপকারী খাবার হলো বাদাম। যাদের রাতে ঘুমাতে সমস্যা হয় তারা প্রতিদিন রাতের খাবারে ১০/১২ টি বাদাম খেলে রাতের ঘুম ভালো হবে।
তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর
Science and technology
এ বছরে মোবাইল ফোনের বাজারে বেশ কিছু নতুন ফোনের দেখা মিলেছে। শুধু কমদামের অ্যান্ড্রয়েডের স্মার্টফোনই নয়, এ বছর দেখা গেছে বেশ কয়েকটি প্রিমিয়াম স্মার্টফোন। নতুন এই ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনগুলো ব্যবহারকারীদের স্মার্টফোন অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করেছে। এ বছরে বাজারে আসা নামকরা ১০টি স্মার্টফোন নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
আইফোন৬ প্লাস
দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার পর ফ্যাবলেটের বাজারে ৫.৫ ইঞ্চি মাপের আইফোন৬ প্লাস দিয়ে পা রেখেছে অ্যাপল। স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট উভয় যন্ত্রের মজা নিতে পারছেন আইফোন৬ প্লাস ব্যবহারকারীরা। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, আইফোনের মধ্যে এটিই সেরা। কারণ এতে রয়েছে উন্নত ক্যামেরা, উন্নত পারফরম্যান্স ও দীর্ঘক্ষণ ব্যাটারি ব্যাকআপের সুবিধা। ফুল এইচডি ডিসপ্লের কারণে এই ফোনটি এ বছর সবার নজর কেড়েছে। নকশার নিয়ে অ্যাপল সমালোচকদের মুখও বন্ধ করতে পেরেছে আইফোন ৬প্লাস। বাংলাদেশের বাজারে ১৬ জিবি মডেলের আইফোন বিক্রি হচ্ছে ৮৫ হাজার টাকায়।
স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট৪
বিশ্বের শীর্ষ স্মার্টফোন নির্মাতা স্যামসাং ইলেকট্রনিকস ৩ সেপ্টেম্বর জার্মানির বার্লিনে গ্যালাক্সি নোট স্মার্টফোনের নতুন সংস্করণ ‘নোট ৪’ উন্মুক্ত করেছিল। হাই-এন্ডের ফ্যাবলেটকে আরও আপগ্রেড করে, আরও উন্নত নকশার গ্যালাক্সি নোট ৪ উন্মুক্ত করেছে স্যামসাং। হালকা-পাতলা ও উন্নত নকশার গ্যালাক্সি নোট ৪ স্যামসাংয়ের প্রিমিয়াম পণ্য হিসেবে এরই মধ্যে বাজারে জনপ্রিয় হয়েছে। বাংলাদেশের বাজারে ৩১ অক্টোবর থেকে ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি শুরু হয় গ্যালাক্সি নোট ৪ স্মার্টফোনটির। বাংলাদেশের বাজারে ৩১ অক্টোবর থেকে ৮০ হাজার টাকায় চারকোল ব্ল্যাক ও ফ্রস্ট হোয়াইট রঙের গ্যালাক্সি নোট ৪ পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি মাসে ছয় হাজার ৬৬৭ টাকার মাসিক কিস্তিতে মোট ১২ মাসে মূল্য পরিশোধে এই স্মার্টফোনটি কেনার সুযোগ দিচ্ছে স্যামসাং। নোট সিরিজের সর্বশেষ এই সংস্করণে আছে গ্যালাক্সি ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজ, এস পেন, যা ব্যবহারকারীকে লেখার দারুণ অভিজ্ঞতা দিতে পারে। ধাতবকাঠামোর স্মার্টফোনটির ডিসপ্লে ৫.৭ ইঞ্চি মাপের। নতুন স্মার্টফোনটি এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যাতে তা গেমারদের আকর্ষণ করে। এর জন্য স্টাইলাস পেনকে আরও উন্নত করা হয়েছে। বড় স্ক্রিনের সুবিধা নিয়ে যাতে মাল্টিটাস্কিং করা যায়, তার জন্য বেশ কিছু ফিচার এসেছে নোট ফোরে। স্মার্টফোনটির পেছনে রয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।
মটো জি (দ্বিতীয় সংস্করণ)
মটোরোলার জনপ্রিয় সাশ্রয়ী স্মার্টফোন মটো জির দ্বিতীয় সংস্করণ এ বছর বাজারে এসেছে। দ্বিতীয় সংস্করণের এই স্মার্টফোনটিও বাজেটের মধ্যেই। দেশের বাজারে ২০ হাজার টাকার মধ্যে এ ফোনটি কিনতে পাওয়া যায়। এ বছরের সেপ্টেম্বরে বাজারে আসা স্মার্টফোনটির পেছনে রয়েছে আট মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। পাঁচ ইঞ্চি মাপের স্মার্টফোনটিতে রয়েছে কোয়াড কোর প্রসেসর ও এক জিবি র্যাম। গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ প্রথম এই ফোনটিতেই পাওয়া যাবে।
এক্সপেরিয়া জেড৩
স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস৫, এইচটিসির এম৮ ও আইফোন ৬ কে টেক্কা দিতে জাপানের প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান সনি বাজারে এনেছে সনি এক্সপেরিয়া জেড৩ স্মার্টফোনটি। ফিচার ও সেন্সরে ঠাসা ফোনটির ব্যবহার অভিজ্ঞতা অসাধারণ বলেই জানান বিশেষজ্ঞরা। মোবাইলের সচরাচর কাজের পারফরম্যান্স বিবেচনা, ব্যাটারি ব্যাকআপ ও মোবাইল গেম খেলার দিক থেকে সনির এই সেটটিকে ভালো নম্বর দেন বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়া অডিও অভিজ্ঞতাও দারুণ। এতে রয়েছে ওয়াই অ্যাঙ্গেল লেন্সযুক্ত ২০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। আন্তর্জাতিক বাজারে এই ফোনটির দাম ৬৩০ মার্কিন ডলারের কাছাকাছি।
ওয়ানপ্লাসওয়ান
ওয়ানপ্লাসওয়ান স্মার্টফোনটি এরই মধ্যে ‘ফ্ল্যাগশিপ কিলার’ ফোন হিসেবে বাজারে পরিচিতি পেয়েছে। হাই-এন্ডের হার্ডওয়্যার ও প্রিমিয়াম ডিজাইন এই ফোনটিকে এশিয়ার বাজারে বেশ জনপ্রিয় করে তুলেছে। উন্নত হার্ডওয়্যার দিয়ে তৈরি হলেও এই ফোনটির দাম ক্রেতাদের বেশি আকৃষ্ট করেছে। বাংলাদেশে ৩০ হাজার ৭০০ টাকার মধ্যে এই ফোনটি পাওয়া যায়। বিশ্লেষকেরা ওয়ানপ্লাসওয়ান স্মার্টফোনটিকে পারফরম্যান্সের পাওয়ার হাউস বলেন। তিন জিবি র্যাম, ২.৫ গিগাহার্টজ কোয়াড কোর প্রসেসরের সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি মাপের ফোনটিতে সাইনোজেন মোড অপারেটিং সিস্টেম যা অ্যান্ড্রয়েডের বিশেষ কাস্টোমাইজড সংস্করণ।
অপো ফাইন্ড ৭
এ বছরে বাজারে আসা আরেকটি শীর্ষ প্রিমিয়াম ফোন হচ্ছে অপো ফাইন্ড ৭। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের চোখে ‘অপো ফাইন্ড ৭’ নামের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনটিতে উন্নত ডিসপ্লে, দ্রুতগতিতে চার্জ দেওয়ার সুবিধা আর শক্তিশালী হার্ডওয়্যারের জন্য শীর্ষস্থানীয় একটি ফোন। ফোরজি নেটওয়ার্ক সুবিধার স্মার্টফোনটিতে রয়েছে সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি মাপের সাধারণ এইচডির চেয়েও দ্বিগুণ রেজুলেশনের ডিসপ্লে। অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর স্মার্টফোনটিতে সুপার জুম মোডে ৫০ মেগাপিক্সেল মানের ছবি পাওয়া যায়। স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরচালিত স্মার্টফোনটির র্যামই তিন গিগাবাইট। এ ছাড়া তিন হাজার মিলি অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোনটিতে ভিওওসি চার্জার রয়েছে, যাতে দ্রুত চার্জ দেওয়া যায়। বাংলাদেশের বাজারে ৪৯ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে অপো ফাইন্ড ৭ স্মার্টফোনটি।
জিওমি এমআই৩
এ বছর বাজারে আসা আরেকটি নজরকাড়া ফোন হচ্ছে জিওমি এমআই৩। এর হার্ডওয়্যারকে গুগলের নেক্সাস৫-এর সঙ্গে তুলনা করা চলে। কিন্তু এর দাম আবার অনেকটাই কম। বাজার বিশ্লেষকেরা বলেন, জিওমির এই ফোনটিতে উন্নত হার্ডওয়্যার ও সফটওঢয়্যার পারফরম্যান্সের কারণে এটি অনেকেই পছন্দ করেন। স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ২.৩ গিগাহার্টজ কোয়াড কোর প্রসেসর ও দুই জিবি র্যাম। ফুল এইচডি ডিসপ্লের এই ফোনটির দাম প্রায় ৭০০ মার্কিন ডলার।
এইচটিসি ওয়ান এম৮
তাইওয়ানের স্মার্টফোন নির্মাতা এইচটিসির জনপ্রিয় স্মার্টফোন এইচটিসি ওয়ানের উন্নত সংস্করণ হচ্ছে এইচটিসি ওয়ান এম৮। ব্যতিক্রম ডিজাইন ও নতুন ফিচারযুক্ত এই স্মার্টফোনটির অ্যালুমিনিয়াম কাঠামোর। পাঁচ ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোনে রয়েছে আলট্রাপিক্সেল ক্যামেরা ফিচার। ২.৩ গিগাহার্টজের কোয়ালকম প্রসেসর ও দুই জিবি র্যাম সুবিধার স্মার্টফোনটি অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর। স্মার্টফোনটির দাম ৬০০ মার্কিন ডলার।
মটো এক্স সেকেন্ড জেনারেশন
দ্বিতীয় প্রজন্মের মটো এক্সকে শুধু আগের প্রজন্মের আপডেট বলা যাবে না। এটি সম্পূর্ণ নতুন একটি ফোন। এতে ব্যবহৃত হয়েছে অ্যালুমিনিয়াম কাঠামো। ৫.২ ইঞ্চি মাপের এই স্মার্টফোনটিতে ব্যবহৃত হয়েঝে ২.৫ গিগাহার্টজের কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০১ প্রসেসর ও দুই গিগাবাইট র্যাম। মটো এক্সে যে অ্যাকটিভ ডিসপ্লে ও টাচলেস কন্ট্রোল সুবিধা ছিল এক্স২তে সেই সুবিধা আরও উন্নত হয়েছে। এই স্মার্টফোনটির ক্যামেরা দিয়ে ৪ কে মানের ভিডিও করা যায়। এ ছাড়াও স্লো মোশনে ভিডিও করার সুবিধাও রয়েছে এতে। যুক্তরাষ্ট্রে এই ফোনটির দাম ৭০০ ডলারের কাছাকাছি।
লুমিয়া ৮৩০
হাই-এন্ড ও মিড রেঞ্জের ফোনের মধ্যে পার্থক্য ঘোচাতে মাইক্রোসফট বাজারে এনেছে লুমিয়া ৮৩০ মডেলের ফোনটি। মাইক্রোসফটের দামি প্রিমিয়াম ফোনের সব ফিচার সুবিধা দিয়ে সাশ্রয়ী দামে বাজারে ছাড়া হয়েছে এই লুমিয়া ফোনটি। ধাতবকাঠামোর উন্নত গঠনের এই স্মার্টফোনটিতে তোলা ছবির মান বেশ ভালো। উইন্ডোজ ফোন সফটওয়্যার চালিত এই ফোনটির হার্ডওয়্যার পারফরম্যান্সও ভালো বলেই প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা মনে করেন। স্মার্টফোনটির দাম ৩৩০ ইউরোর কাছাকাছি। মাইক্রোসফট জানিয়েছে, লুমিয়া ৮৩০ স্মার্টফোনটি হচ্ছে এখন পর্যন্ত মাইক্রোসফটের সবচেয়ে হালকা-পাতলা ফোন। লুমিয়া ৮৩০ স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ১০ মেগাপিক্সেলের পিউরভিউ ক্যামেরা যাতে রয়েছে কার্ল জেইস অপটিকস, এলইডি ফ্ল্যাশ, হালকা অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন সুবিধা। এই স্মার্টফোনটির সামনে থাকছে এক মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। স্মার্টফোনটিতে ইনবিল্ট ফিচার হিসেবে রয়েছে নোটিফিকেশন সেন্টার, লাইভ টাইলস, মাইক্রোসফট অফিস, কর্টানা, ওয়ানড্রাইভ, লাইভ ফোল্ডার, অ্যাপস কর্নারসহ হালনাগাদ গ্ল্যান্স স্ক্রিন ও অধিক নিরাপত্তা সুবিধা। পাঁচ ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লে যুক্ত এই স্মার্টফোনটিতে রয়েছে কোয়াড কোর স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর, এক জিবি র্যাম। এতে ১৬ জিবি ইনবিল্ট স্টোরেজ সুবিধা থাকছে। ২২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি সুবিধার এই স্মার্টফোনটি তারবিহীন চার্জিং সুবিধাও সমর্থন করে।
এ বছরের সেরা ১০ মোবাইল ফোন
এ বছরে মোবাইল ফোনের বাজারে বেশ কিছু নতুন ফোনের দেখা মিলেছে। শুধু কমদামের অ্যান্ড্রয়েডের স্মার্টফোনই নয়, এ বছর দেখা গেছে বেশ কয়েকটি প্রিমিয়াম স্মার্টফোন। নতুন এই ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনগুলো ব্যবহারকারীদের স্মার্টফোন অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করেছে। এ বছরে বাজারে আসা নামকরা ১০টি স্মার্টফোন নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
আইফোন৬ প্লাস
দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার পর ফ্যাবলেটের বাজারে ৫.৫ ইঞ্চি মাপের আইফোন৬ প্লাস দিয়ে পা রেখেছে অ্যাপল। স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট উভয় যন্ত্রের মজা নিতে পারছেন আইফোন৬ প্লাস ব্যবহারকারীরা। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, আইফোনের মধ্যে এটিই সেরা। কারণ এতে রয়েছে উন্নত ক্যামেরা, উন্নত পারফরম্যান্স ও দীর্ঘক্ষণ ব্যাটারি ব্যাকআপের সুবিধা। ফুল এইচডি ডিসপ্লের কারণে এই ফোনটি এ বছর সবার নজর কেড়েছে। নকশার নিয়ে অ্যাপল সমালোচকদের মুখও বন্ধ করতে পেরেছে আইফোন ৬প্লাস। বাংলাদেশের বাজারে ১৬ জিবি মডেলের আইফোন বিক্রি হচ্ছে ৮৫ হাজার টাকায়।
স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট৪
বিশ্বের শীর্ষ স্মার্টফোন নির্মাতা স্যামসাং ইলেকট্রনিকস ৩ সেপ্টেম্বর জার্মানির বার্লিনে গ্যালাক্সি নোট স্মার্টফোনের নতুন সংস্করণ ‘নোট ৪’ উন্মুক্ত করেছিল। হাই-এন্ডের ফ্যাবলেটকে আরও আপগ্রেড করে, আরও উন্নত নকশার গ্যালাক্সি নোট ৪ উন্মুক্ত করেছে স্যামসাং। হালকা-পাতলা ও উন্নত নকশার গ্যালাক্সি নোট ৪ স্যামসাংয়ের প্রিমিয়াম পণ্য হিসেবে এরই মধ্যে বাজারে জনপ্রিয় হয়েছে। বাংলাদেশের বাজারে ৩১ অক্টোবর থেকে ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি শুরু হয় গ্যালাক্সি নোট ৪ স্মার্টফোনটির। বাংলাদেশের বাজারে ৩১ অক্টোবর থেকে ৮০ হাজার টাকায় চারকোল ব্ল্যাক ও ফ্রস্ট হোয়াইট রঙের গ্যালাক্সি নোট ৪ পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি মাসে ছয় হাজার ৬৬৭ টাকার মাসিক কিস্তিতে মোট ১২ মাসে মূল্য পরিশোধে এই স্মার্টফোনটি কেনার সুযোগ দিচ্ছে স্যামসাং। নোট সিরিজের সর্বশেষ এই সংস্করণে আছে গ্যালাক্সি ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজ, এস পেন, যা ব্যবহারকারীকে লেখার দারুণ অভিজ্ঞতা দিতে পারে। ধাতবকাঠামোর স্মার্টফোনটির ডিসপ্লে ৫.৭ ইঞ্চি মাপের। নতুন স্মার্টফোনটি এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যাতে তা গেমারদের আকর্ষণ করে। এর জন্য স্টাইলাস পেনকে আরও উন্নত করা হয়েছে। বড় স্ক্রিনের সুবিধা নিয়ে যাতে মাল্টিটাস্কিং করা যায়, তার জন্য বেশ কিছু ফিচার এসেছে নোট ফোরে। স্মার্টফোনটির পেছনে রয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।
মটো জি (দ্বিতীয় সংস্করণ)
মটোরোলার জনপ্রিয় সাশ্রয়ী স্মার্টফোন মটো জির দ্বিতীয় সংস্করণ এ বছর বাজারে এসেছে। দ্বিতীয় সংস্করণের এই স্মার্টফোনটিও বাজেটের মধ্যেই। দেশের বাজারে ২০ হাজার টাকার মধ্যে এ ফোনটি কিনতে পাওয়া যায়। এ বছরের সেপ্টেম্বরে বাজারে আসা স্মার্টফোনটির পেছনে রয়েছে আট মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। পাঁচ ইঞ্চি মাপের স্মার্টফোনটিতে রয়েছে কোয়াড কোর প্রসেসর ও এক জিবি র্যাম। গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ প্রথম এই ফোনটিতেই পাওয়া যাবে।
এক্সপেরিয়া জেড৩
স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস৫, এইচটিসির এম৮ ও আইফোন ৬ কে টেক্কা দিতে জাপানের প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান সনি বাজারে এনেছে সনি এক্সপেরিয়া জেড৩ স্মার্টফোনটি। ফিচার ও সেন্সরে ঠাসা ফোনটির ব্যবহার অভিজ্ঞতা অসাধারণ বলেই জানান বিশেষজ্ঞরা। মোবাইলের সচরাচর কাজের পারফরম্যান্স বিবেচনা, ব্যাটারি ব্যাকআপ ও মোবাইল গেম খেলার দিক থেকে সনির এই সেটটিকে ভালো নম্বর দেন বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়া অডিও অভিজ্ঞতাও দারুণ। এতে রয়েছে ওয়াই অ্যাঙ্গেল লেন্সযুক্ত ২০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। আন্তর্জাতিক বাজারে এই ফোনটির দাম ৬৩০ মার্কিন ডলারের কাছাকাছি।
ওয়ানপ্লাসওয়ান
ওয়ানপ্লাসওয়ান স্মার্টফোনটি এরই মধ্যে ‘ফ্ল্যাগশিপ কিলার’ ফোন হিসেবে বাজারে পরিচিতি পেয়েছে। হাই-এন্ডের হার্ডওয়্যার ও প্রিমিয়াম ডিজাইন এই ফোনটিকে এশিয়ার বাজারে বেশ জনপ্রিয় করে তুলেছে। উন্নত হার্ডওয়্যার দিয়ে তৈরি হলেও এই ফোনটির দাম ক্রেতাদের বেশি আকৃষ্ট করেছে। বাংলাদেশে ৩০ হাজার ৭০০ টাকার মধ্যে এই ফোনটি পাওয়া যায়। বিশ্লেষকেরা ওয়ানপ্লাসওয়ান স্মার্টফোনটিকে পারফরম্যান্সের পাওয়ার হাউস বলেন। তিন জিবি র্যাম, ২.৫ গিগাহার্টজ কোয়াড কোর প্রসেসরের সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি মাপের ফোনটিতে সাইনোজেন মোড অপারেটিং সিস্টেম যা অ্যান্ড্রয়েডের বিশেষ কাস্টোমাইজড সংস্করণ।
অপো ফাইন্ড ৭
এ বছরে বাজারে আসা আরেকটি শীর্ষ প্রিমিয়াম ফোন হচ্ছে অপো ফাইন্ড ৭। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের চোখে ‘অপো ফাইন্ড ৭’ নামের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনটিতে উন্নত ডিসপ্লে, দ্রুতগতিতে চার্জ দেওয়ার সুবিধা আর শক্তিশালী হার্ডওয়্যারের জন্য শীর্ষস্থানীয় একটি ফোন। ফোরজি নেটওয়ার্ক সুবিধার স্মার্টফোনটিতে রয়েছে সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি মাপের সাধারণ এইচডির চেয়েও দ্বিগুণ রেজুলেশনের ডিসপ্লে। অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর স্মার্টফোনটিতে সুপার জুম মোডে ৫০ মেগাপিক্সেল মানের ছবি পাওয়া যায়। স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরচালিত স্মার্টফোনটির র্যামই তিন গিগাবাইট। এ ছাড়া তিন হাজার মিলি অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোনটিতে ভিওওসি চার্জার রয়েছে, যাতে দ্রুত চার্জ দেওয়া যায়। বাংলাদেশের বাজারে ৪৯ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে অপো ফাইন্ড ৭ স্মার্টফোনটি।
জিওমি এমআই৩
এ বছর বাজারে আসা আরেকটি নজরকাড়া ফোন হচ্ছে জিওমি এমআই৩। এর হার্ডওয়্যারকে গুগলের নেক্সাস৫-এর সঙ্গে তুলনা করা চলে। কিন্তু এর দাম আবার অনেকটাই কম। বাজার বিশ্লেষকেরা বলেন, জিওমির এই ফোনটিতে উন্নত হার্ডওয়্যার ও সফটওঢয়্যার পারফরম্যান্সের কারণে এটি অনেকেই পছন্দ করেন। স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ২.৩ গিগাহার্টজ কোয়াড কোর প্রসেসর ও দুই জিবি র্যাম। ফুল এইচডি ডিসপ্লের এই ফোনটির দাম প্রায় ৭০০ মার্কিন ডলার।
এইচটিসি ওয়ান এম৮
তাইওয়ানের স্মার্টফোন নির্মাতা এইচটিসির জনপ্রিয় স্মার্টফোন এইচটিসি ওয়ানের উন্নত সংস্করণ হচ্ছে এইচটিসি ওয়ান এম৮। ব্যতিক্রম ডিজাইন ও নতুন ফিচারযুক্ত এই স্মার্টফোনটির অ্যালুমিনিয়াম কাঠামোর। পাঁচ ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোনে রয়েছে আলট্রাপিক্সেল ক্যামেরা ফিচার। ২.৩ গিগাহার্টজের কোয়ালকম প্রসেসর ও দুই জিবি র্যাম সুবিধার স্মার্টফোনটি অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর। স্মার্টফোনটির দাম ৬০০ মার্কিন ডলার।
মটো এক্স সেকেন্ড জেনারেশন
দ্বিতীয় প্রজন্মের মটো এক্সকে শুধু আগের প্রজন্মের আপডেট বলা যাবে না। এটি সম্পূর্ণ নতুন একটি ফোন। এতে ব্যবহৃত হয়েছে অ্যালুমিনিয়াম কাঠামো। ৫.২ ইঞ্চি মাপের এই স্মার্টফোনটিতে ব্যবহৃত হয়েঝে ২.৫ গিগাহার্টজের কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০১ প্রসেসর ও দুই গিগাবাইট র্যাম। মটো এক্সে যে অ্যাকটিভ ডিসপ্লে ও টাচলেস কন্ট্রোল সুবিধা ছিল এক্স২তে সেই সুবিধা আরও উন্নত হয়েছে। এই স্মার্টফোনটির ক্যামেরা দিয়ে ৪ কে মানের ভিডিও করা যায়। এ ছাড়াও স্লো মোশনে ভিডিও করার সুবিধাও রয়েছে এতে। যুক্তরাষ্ট্রে এই ফোনটির দাম ৭০০ ডলারের কাছাকাছি।
লুমিয়া ৮৩০
হাই-এন্ড ও মিড রেঞ্জের ফোনের মধ্যে পার্থক্য ঘোচাতে মাইক্রোসফট বাজারে এনেছে লুমিয়া ৮৩০ মডেলের ফোনটি। মাইক্রোসফটের দামি প্রিমিয়াম ফোনের সব ফিচার সুবিধা দিয়ে সাশ্রয়ী দামে বাজারে ছাড়া হয়েছে এই লুমিয়া ফোনটি। ধাতবকাঠামোর উন্নত গঠনের এই স্মার্টফোনটিতে তোলা ছবির মান বেশ ভালো। উইন্ডোজ ফোন সফটওয়্যার চালিত এই ফোনটির হার্ডওয়্যার পারফরম্যান্সও ভালো বলেই প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা মনে করেন। স্মার্টফোনটির দাম ৩৩০ ইউরোর কাছাকাছি। মাইক্রোসফট জানিয়েছে, লুমিয়া ৮৩০ স্মার্টফোনটি হচ্ছে এখন পর্যন্ত মাইক্রোসফটের সবচেয়ে হালকা-পাতলা ফোন। লুমিয়া ৮৩০ স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ১০ মেগাপিক্সেলের পিউরভিউ ক্যামেরা যাতে রয়েছে কার্ল জেইস অপটিকস, এলইডি ফ্ল্যাশ, হালকা অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন সুবিধা। এই স্মার্টফোনটির সামনে থাকছে এক মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। স্মার্টফোনটিতে ইনবিল্ট ফিচার হিসেবে রয়েছে নোটিফিকেশন সেন্টার, লাইভ টাইলস, মাইক্রোসফট অফিস, কর্টানা, ওয়ানড্রাইভ, লাইভ ফোল্ডার, অ্যাপস কর্নারসহ হালনাগাদ গ্ল্যান্স স্ক্রিন ও অধিক নিরাপত্তা সুবিধা। পাঁচ ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লে যুক্ত এই স্মার্টফোনটিতে রয়েছে কোয়াড কোর স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর, এক জিবি র্যাম। এতে ১৬ জিবি ইনবিল্ট স্টোরেজ সুবিধা থাকছে। ২২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি সুবিধার এই স্মার্টফোনটি তারবিহীন চার্জিং সুবিধাও সমর্থন করে।
তথ্য সুত্রঃ প্রথম আলো
Breaking News, National
বাতিল হল সংসদ ভবনেরস্বরস্বতী পূজা.....
বাতিল হল সংসদ ভবনের স্বরস্বতী পূজা দেশের চলমান সহিংসতায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠেয় সরস্বতী পূজা বাতিল করা হয়েছে। তাই আজ সকাল থেকে এই
পূজা অনুষ্ঠানের আয়োজন
করা হয়েছে সংসদ ভবনের
পাশে অবস্থিত রাজধানী উচ্চ
বিদ্যালয় মাঠে।
প্রথমবারের মতো এ পূজা সংসদের
মেডিকেল সেন্টার
প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হওয়ার
কথা ছিল। এ
নিয়ে পূজা কমিটি মাসব্যাপী প্রস্তুতিও
নিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এ
আয়োজন সরিয়ে নিতে হয়েছে।
সংসদের ডেপুটি সার্জেন্ট অ্যাট
আর্মস এম সাদরুল আহমেদ বলেন,
‘আইনশৃঙ্খলার
কথা বিবেচনা করে সংসদ
ভবনে সরস্বতী পূজা বাতিল
করা হয়েছে।’ জানা যায়,
আইনশৃঙ্খলার
কথা বিবেচনা করে শেষ
মুহূর্তে পূজার স্থান পরিবর্তন
করা হয়েছে। জানা যায়, গত ১৯
জানুয়ারি থেকে দশম সংসদের
পঞ্চম অধিবেশন শুরু হয়েছে।
অধিবেশন চলাকালীন সময়ে পূজার
এমন আয়োজনে বিশৃঙ্খলার
আশঙ্কায় এটি সরিয়ে নেয়ার
সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ
সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ
এমপি (বরিশাল-৪) এ পূজার উদ্যোগ
নেন। এ জন্য তিনি স্পিকারের
অনুমতি চেয়ে পত্রও দেন।
পরে স্পিকার বিবেচনার জন্য
প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ
চিঠি পাঠান। প্রধানমন্ত্রীও এমন
আয়োজনের জন্য সুপারিশ করেন। এ
পূজাকে সফল করতে সংসদের
অতিরিক্ত সচিব প্রণব
চক্রবর্তীকে আহ্বায়ক
করে একটি কমিটিও গঠন করা হয়।
এ বিষয়ে প্রণব চক্রবর্তী এই জানান,
‘জাতীয় সংসদে পূজার আয়োজন
বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম।
এজন্য সংসদের হিন্দু প্রথম শ্রেণির
কর্মকর্তাদের ১০০০ দ্বিতীয় শ্রেণির
কর্মকর্তাদের ৫০০ ও তৃতীয় শ্রেণির
ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মকর্তাদের ১০০
টাকা চাঁদা ধরা হয়েছে। পূজার দিন
সংগীতানুষ্ঠানেরও আয়োজন
করা হয়েছে। তবে এখন
স্বরস্বতী পূজা রাজধানী স্কুল
মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। কারণ দেশের
অবস্থা ভাল না। এ
সুযোগে সংসদে প্রবেশ করে কেউ
যাতে নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারে এজন্য
পূজামণ্ডপ সরিয়ে নেয়া হয়েছে।’
প্রসংগত কোন একটি বিশেষ দেশের
আস্হাভাজনের লক্ষ্যে সহসাই
সংসদ ভবনে পূজার আয়োজনের
ঘোষনা দেওয়ার পর থেকেই
বিভিন্ন ইসলামিক দল গুলো এর
বিরোধীতা করে এবং বাতিলের
দাবী জানায়।
পূজা অনুষ্ঠানের আয়োজন
করা হয়েছে সংসদ ভবনের
পাশে অবস্থিত রাজধানী উচ্চ
বিদ্যালয় মাঠে।
প্রথমবারের মতো এ পূজা সংসদের
মেডিকেল সেন্টার
প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হওয়ার
কথা ছিল। এ
নিয়ে পূজা কমিটি মাসব্যাপী প্রস্তুতিও
নিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এ
আয়োজন সরিয়ে নিতে হয়েছে।
সংসদের ডেপুটি সার্জেন্ট অ্যাট
আর্মস এম সাদরুল আহমেদ বলেন,
‘আইনশৃঙ্খলার
কথা বিবেচনা করে সংসদ
ভবনে সরস্বতী পূজা বাতিল
করা হয়েছে।’ জানা যায়,
আইনশৃঙ্খলার
কথা বিবেচনা করে শেষ
মুহূর্তে পূজার স্থান পরিবর্তন
করা হয়েছে। জানা যায়, গত ১৯
জানুয়ারি থেকে দশম সংসদের
পঞ্চম অধিবেশন শুরু হয়েছে।
অধিবেশন চলাকালীন সময়ে পূজার
এমন আয়োজনে বিশৃঙ্খলার
আশঙ্কায় এটি সরিয়ে নেয়ার
সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ
সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ
এমপি (বরিশাল-৪) এ পূজার উদ্যোগ
নেন। এ জন্য তিনি স্পিকারের
অনুমতি চেয়ে পত্রও দেন।
পরে স্পিকার বিবেচনার জন্য
প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ
চিঠি পাঠান। প্রধানমন্ত্রীও এমন
আয়োজনের জন্য সুপারিশ করেন। এ
পূজাকে সফল করতে সংসদের
অতিরিক্ত সচিব প্রণব
চক্রবর্তীকে আহ্বায়ক
করে একটি কমিটিও গঠন করা হয়।
এ বিষয়ে প্রণব চক্রবর্তী এই জানান,
‘জাতীয় সংসদে পূজার আয়োজন
বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম।
এজন্য সংসদের হিন্দু প্রথম শ্রেণির
কর্মকর্তাদের ১০০০ দ্বিতীয় শ্রেণির
কর্মকর্তাদের ৫০০ ও তৃতীয় শ্রেণির
ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মকর্তাদের ১০০
টাকা চাঁদা ধরা হয়েছে। পূজার দিন
সংগীতানুষ্ঠানেরও আয়োজন
করা হয়েছে। তবে এখন
স্বরস্বতী পূজা রাজধানী স্কুল
মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। কারণ দেশের
অবস্থা ভাল না। এ
সুযোগে সংসদে প্রবেশ করে কেউ
যাতে নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারে এজন্য
পূজামণ্ডপ সরিয়ে নেয়া হয়েছে।’
প্রসংগত কোন একটি বিশেষ দেশের
আস্হাভাজনের লক্ষ্যে সহসাই
সংসদ ভবনে পূজার আয়োজনের
ঘোষনা দেওয়ার পর থেকেই
বিভিন্ন ইসলামিক দল গুলো এর
বিরোধীতা করে এবং বাতিলের
দাবী জানায়।
Science and technology
স্মার্টফোনে ৩২০ গিগা স্টোরেজ!
যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত এবারের কনজুমার ইলেকট্রনিকস শোতে চমক দিল যুক্তরাষ্ট্রের স্বল্পপরিচিত প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সেগাস। বাজারের নামীদামি স্মার্টফোন নির্মাতাদের পেছনে ফেলে সেগাস এমন একটি স্মার্টফোন বাজারে ছেড়েছে যাতে স্টোরেজ সুবিধা রয়েছে ৩২০ গিগাবাইট পর্যন্ত।
সেগাসের তৈরি এই স্মার্টফোনটির নাম ‘ভি স্কয়ার’। অ্যান্ড্রয়েড–নির্ভর স্মার্টফোনটির অনবোর্ড মেমোরি ৬৪ গিগাবাইট আর এতে ১২৮ গিগাবাইটের দুটি মাইক্রোএসডি কার্ড সমর্থন করে। পাঁচ ইঞ্চি মাপের ফুল এইডি রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ২.৫ গিগাহার্টজ কোয়াড-কোর কোয়ালকম প্রসেসর, তিন গিগাবাইট র্যাম সুবিধা। স্মার্টফোনটির পেছনে থাকবে ২১ ও সামনে ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। স্মার্টফোনটির ব্যাটারি হবে তিন হাজার ১০০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের।
স্মার্টফোনটির বিশেষ ফিচারের মধ্যে আরও রয়েছে ৬০০ গিগাহার্টজ ওয়াই-ফাই ব্যান্ড সমর্থন, সামনে হারমান কার্ডন স্পিকার। স্মার্টফোনটিতে রয়েছে শক্তিসাশ্রয়ী বিশেষ চিপ, যা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যাটারি খরচ কমাতে সক্ষম হবে। এর অন্যান্য ফিচারের মধ্যে রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, ওয়্যারলেস চার্জিং ও নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন সুবিধা।
সেগাসের তৈরি এই ফোনটি নিয়ে এরই মধ্যে প্রযুক্তি বিশ্বে শোরগোল হয়েছে। এই ফোনটিকে ডাকা হচ্ছে ‘সুপার ফোন’ নামে। এই ফোনটির নকশার দিক থেকেও ক্রেতাকে সন্তুষ্ট করতে পারবে। বুলেটপ্রুফ পোশাক তৈরিতে যে কোটিং ব্যবহার করা হয় ফোনটির পেছনের কাঠামো তৈরিতে সেই কেভলার কোটিং ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়াও স্মার্টফোনটি পানিরোধী।
ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি তাদের ওয়েবসাইটে এই ফোনটি সম্পর্কে লিখেছে ‘যোগাযোগের নতুন যুগের সূচনা’। এ ছাড়াও এই ফোনটিকে ‘স্বপ্নের ফোন’ বলেও প্রযুক্তিবিষয়ক বিভিন্ন সাইটে উল্লেখ করা হয়েছে।
এবারের সিইএসে উদ্ভাবনী প্রযুক্তিপণ্য হিসেবে ফোনটি প্রযুক্তি বিশ্লেষকেদেরও নজর কেড়েছে।
এ বছরের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভি-স্কয়ার ফোনটি বাজারে ছাড়বে সেগাস। দাম? সেগাস জানিয়েছে, বাজারের গড় পড়তা হাই-এন্ড স্মার্টফোনের দামের চেয়ে (৪০০ থেকে ৬০০ ডলার) ১০০ মার্কিন ডলার কমেই বিক্রি হবে ভি স্কয়ার। (পিসিম্যাগ, ফোনএরেনা)
সেগাসের তৈরি এই স্মার্টফোনটির নাম ‘ভি স্কয়ার’। অ্যান্ড্রয়েড–নির্ভর স্মার্টফোনটির অনবোর্ড মেমোরি ৬৪ গিগাবাইট আর এতে ১২৮ গিগাবাইটের দুটি মাইক্রোএসডি কার্ড সমর্থন করে। পাঁচ ইঞ্চি মাপের ফুল এইডি রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ২.৫ গিগাহার্টজ কোয়াড-কোর কোয়ালকম প্রসেসর, তিন গিগাবাইট র্যাম সুবিধা। স্মার্টফোনটির পেছনে থাকবে ২১ ও সামনে ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। স্মার্টফোনটির ব্যাটারি হবে তিন হাজার ১০০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের।
![]() |
| সেগাসের তৈরি ভি স্কয়ার |
স্মার্টফোনটির বিশেষ ফিচারের মধ্যে আরও রয়েছে ৬০০ গিগাহার্টজ ওয়াই-ফাই ব্যান্ড সমর্থন, সামনে হারমান কার্ডন স্পিকার। স্মার্টফোনটিতে রয়েছে শক্তিসাশ্রয়ী বিশেষ চিপ, যা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যাটারি খরচ কমাতে সক্ষম হবে। এর অন্যান্য ফিচারের মধ্যে রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, ওয়্যারলেস চার্জিং ও নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন সুবিধা।
সেগাসের তৈরি এই ফোনটি নিয়ে এরই মধ্যে প্রযুক্তি বিশ্বে শোরগোল হয়েছে। এই ফোনটিকে ডাকা হচ্ছে ‘সুপার ফোন’ নামে। এই ফোনটির নকশার দিক থেকেও ক্রেতাকে সন্তুষ্ট করতে পারবে। বুলেটপ্রুফ পোশাক তৈরিতে যে কোটিং ব্যবহার করা হয় ফোনটির পেছনের কাঠামো তৈরিতে সেই কেভলার কোটিং ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়াও স্মার্টফোনটি পানিরোধী।
ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি তাদের ওয়েবসাইটে এই ফোনটি সম্পর্কে লিখেছে ‘যোগাযোগের নতুন যুগের সূচনা’। এ ছাড়াও এই ফোনটিকে ‘স্বপ্নের ফোন’ বলেও প্রযুক্তিবিষয়ক বিভিন্ন সাইটে উল্লেখ করা হয়েছে।
এবারের সিইএসে উদ্ভাবনী প্রযুক্তিপণ্য হিসেবে ফোনটি প্রযুক্তি বিশ্লেষকেদেরও নজর কেড়েছে।
এ বছরের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভি-স্কয়ার ফোনটি বাজারে ছাড়বে সেগাস। দাম? সেগাস জানিয়েছে, বাজারের গড় পড়তা হাই-এন্ড স্মার্টফোনের দামের চেয়ে (৪০০ থেকে ৬০০ ডলার) ১০০ মার্কিন ডলার কমেই বিক্রি হবে ভি স্কয়ার। (পিসিম্যাগ, ফোনএরেনা)
তথ্য সুত্রঃ প্রথম আলো
Subscribe to:
Posts (Atom)







