January 16, 2015

ডাকাতি করতে গিয়ে ২৪ বছর পর হারানো মা-বাবার খোঁজ পেলেন সন্তান !

চীনের এক বালক হারিয়ে যাওয়ার ২৪ বছর পর ফেরত পেয়েছেন তার মা বাবাকে। তিনি ১১ বছর বয়সে হারিয়ে গিয়েছিলেন।
জিয়াং ইয়োইয়ো নামের ওই বালক এখন ৩৫ বছরের যুবক। সম্প্রতি পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পর তিনি তার পরিবারকে ফেরত পেয়েছেন। অস্ত্রের মুখে এক মহিলার কাছ থেকে ডাকাতির সময় পুলিশের হাতে ধরা পড়েন তিনি। খাবার ও বাসস্থানের টাকা জোগাড় করার জন্য তিনি ডাকাতির চেষ্টা করেন।
                              
ব্যবসা বোঝার জন্য তারা বাবা মা তাকে ছোট বেলায় এক কুমারের হাতে তুলে দেন তার বাবা মা। ওই কুমারের সাথে ব্যবসার কাজে হুবেই প্রদেশে যান জিয়াং। সেখানেই হারিয়ে যান তিনি।
এরপর অপরিচিত শহরে বেঁচে থাকার জন্য চালিয়েছেন নানা প্রচেষ্টা। এক সময় রাস্তার পাশে বসে পথচারীদের ছবি এঁকে জুগিয়েছেন খাবারের টাকা।
পুলিশের মুখপাত্র লিই হো বলেন, হারিয়ে যাওয়ার পর থেকে গৃহহীন হয়ে তিনি বাস করেছেন রাস্তায় অনেক চেষ্টা করেও খুঁজে পাননি বাবা মাকে। এরপর তিনি তার পাশে থাকা বাচ্চাদের কাছ থেকে শেখেন বেঁচে থাকার উপায়।
কিন্তু জিয়াং যখন ছুরির মুখে ওই মহিলার কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন তখন ওই মহিলা রাস্তায় চিৎকার করলে পথচারীরা তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
জিয়াংয়ের গল্প শোনার পর পুলিশ পুরাতন নথিপত্র ঘেটে তার পরিবারকে খুঁজে বের করে এবং তাকে তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়।
সূত্র: দ্য মিরর
, ,

দুনিয়ার সবচেয়ে দামি খাবার

২৫০ গ্রাম ক্যাভিয়ার খেতে হলে আপনাকে গুনতে হবে ১ হাজার ৮৭৫ ইউরো মানে টাকায় প্রায় ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৬০ টাকা। কি চেখে দেখবেন নাকি একবার। ক্যাভিয়ার আসলে স্টার্জন মাছের ডিম। এই মাছগুলোর দেখা মেলে উত্তর ও মধ্য এশিয়া, ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকায়। সবচেয়ে উৎকৃষ্টমানের ক্যাভিয়ার হলো ব্ল্যাক ক্যাভিয়ার। এই স্টার্জন মাছ শীতকালে নদীর মোহনায় পাওয়া যায়। অত্যন্ত সুস্বাদু এর ডিম পশ্চিম ইউরোপে মানুষ ষোড়শ শতক ধরে নিয়মিত খাচ্ছে। শেক্সপিয়ার তার বিখ্যাত নাটক ‘হ্যামলেট’ এ ক্যাভিয়ারের কথা উল্লেখ করেছেন।



সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব ইউরোপে একটু মোটা ক্যাভিয়ার তাদের কাছে প্রধান খাদ্য হিসেবে বিবেচিত। তারা ক্যাভিয়ার ভোদকা সহযোগে খেয়ে থাকে। ক্যাভিয়ার প্রস্তুতির সময় ডিমের গা থেকে সতর্কতার সঙ্গে আঁশ এবং চর্বি সরিয়ে ফেলা হয়। তারপর লবণ মাখিয়ে ছোট জারে কিংবা টিনে ভরে রাখা হয়। এর লবণাক্ত স্বাদ অনেক চমৎকার। দামি এ খাবার সবার ভাগ্যে জোটে না। ক্যাভিয়ার মূলত খাওয়া হয় ব্রেড বা টোস্ট দিয়ে কিংবা ড্রিংকের সঙ্গে ছোট ছোট বিস্কুটের ওপর রেখে। ধূসর, হালকা সবুজ ও কালো ক্যাভিয়ার ছাড়াও লাল ক্যাভিয়ার ও আছে। এগুলো স্যামন মাছের ডিম দিয়ে বানানো হয়। তবে লালগুলোর স্বাদ তেমন ভালো না।

তথ্য সুত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর

 
Tricks and Tips